Miraculous incident

July 27th, 2020 by Jashodhara Purkayastha

It is said that ‘Peoples never meet incidentally’. Yes, it is said that we met before & will meet again.

I wanted to narrate a miraculous meeting of a group of men when I took my younger son to Gulbarga for an entrance exam. When we got down from the train, a young man about 25 years old, came near me and asked me,” Are you Jashodhara Madam”? He was carrying a placard with my name. I was surprised to see the young lad. I had never seen him before. I was a little nervous during night time (9 p.m). When I got down at the station, he pronounced my name properly. Though it had struck me but at night, where to go? I didn’t know him and neither any of our friends or relatives were there in Gulbarga.

It was night, but still, I asked him, “Take us to some hotel nearby”. We searched some hotels for almost two hours but in vain as almost full train passengers came here for their children’s exam.

At last, he took us to his sister’s house nearby where she lived alone with her two years child. I’ll never forget the incidence of welcome as if I was some VIP. She prepared various dishes for us.

The next morning, the young man came with an autorickshaw and took us to the exam center. After the exam, he showed us the entire Gulbarga in an auto. I could do only one thing for them was to arrange a lunch for them in a good restaurant.  Many a time, I asked the young man, “how did he know me”? Without any answer, he smiled.

The next day, at least 20 people came to the railway station to see off us. I just wondered, who they were. So before leaving I couldn’t get his name. He must have told me the name but I couldn’t remember it now. I tried to find out from him, how he knew my name. He always smiled.

After reaching home, I send them some gifts by post but who were they are still unknown to me to date.

The incident put a great mark on my mind.

God himself must have accompanied us. I believe that if we believe in God, He is always with us 🙏 🙏 🙏

Posted in Philosophy, Uncategorized | 1 Comment »


June 27th, 2020 by Jashodhara Purkayastha

Last December 2019, We decided to visit Orlando, Florida USA. My son planned everything & jotted down the places of visiting. He rented an SUV for travelling. Early morning, we boarded the car.

Orlando is the best and safest city in Florida. It has many restaurants, coffee shops, and parks.

Many families, mainly seniors shift here after their retirement as the city tend to be liberal and not very expensive. The place is known for Disney World and Universal studio. There are lots of attractions. People visit world-famous theme parks. People visit Universal studios, Cinderella castle at Walt Disney World. While travelling towards Orlando, we stopped at many places. We went through Atlanta, Georgia. It took almost 16 hours to reach Orlando as we stopped in many places. Otherwise, it takes 14 hours 2 minutes. We boarded from Indiana covering 1630 km. till Orlando.

We enjoyed the road trip. We stopped at many places as my granddaughter couldn’t sit for a long time in her car seat. We stopped at Louisville, Nashville, Chattanooga, Macon and planned to stop at Atlanta while returning.

While stopping at Ocala, my granddaughter started crying and didn’t want to board in her car seat. We failed to make her understand as she was only one and a half years old.

All of a sudden, an old senior came near the car and smilingly asked, “May I  help you in any way? Why is the baby uncomfortable? Where is your destination ?”

Here in the USA, people are quite friendly but they will not touch children without their parents’ permission.

I replied, “We are going to Orlando, Florida. She doesn’t want to sit in her car seat. We are trying our level best to apprehend but she is quite young to understand it”.

The senior said, “If you don’t mind, I live at the back of this gas station. Can you come to my place for some time? The baby will feel fresh and then you can leave for your destination. Orlando is only one hour from Ocala.”

With hesitation, we agreed to his proposal and walked with him. We reached his home in no time.

He opened the apartment and said, “We used to live in California during our service era. After retirement, we shifted here and we heard that this is the cheapest place to live in. Many people shift here after retirement. Six months ago, my wife left me and reached abode”. He pointed his pointer upward.

After reaching his home, my granddaughter was so happy as if she had been here before. She ran here and there. He looked for some balls or toys but didn’t get them. My granddaughter unexpectedly found a small ball and happily brought it to him.

He was very happy to see the ball and said, “This was my Jacky’s (dog) ball. My granddaughter played for some time. Got tired and slept.

Toddlers always enjoy having other kids around. Sometimes they expect to “play” with the elderly. They are thrilled about sharing toys with elders but not with other toddlers. She was happy with the stranger we met at the gas station. We thanked him and said goodbye to him. We meet so many people in life. It is said that “once we meet means we have already met in previous birth and will meet again in later life.”


Posted in Social Issues, Uncategorized | 1 Comment »

Guastatoppen, Norway.

June 24th, 2020 by Jashodhara Purkayastha



Posted in Tips, Uncategorized | 1 Comment »

Swapno 19 & 20

June 8th, 2020 by Jashodhara Purkayastha

# স্বপ্ন # 19 পর্ব
ডিনার খাওয়ার পর গিরিধরের মা বললেন,”কণিকা তোমার মাকে ফোন লাগাও। আমি একটু কথা বলবো। তোমার বয়স কত হলো ?”
“আমার বয়স 23 বছর। এই বলে মাকে ফোন লাগালাম। বললাম,”গিরিধরের মা তোমার সঙ্গে কথা বলতে চান।”
“আমি শর্মিষ্ঠা দেব বলছি। আমি গিরিধরের মা। গিরীশ দেব ওর বাবা। আমরা ও আমাদের ছেলে সকলেই উকালতি পড়েছি। আমরা দুজনে হাইকোর্টে প্র্যাক্টিস করি আর আমাদের ছেলে লিগ্যাল advisor.
আমার ছেলের বয়স 28 years. আপনাদের কোনো আপত্তি আছে বিয়েতে।”
এত স্পষ্টবাদী দেখে আমিও অবাক হয়ে উনার দিকে তাকিয়ে রইলাম।
ফোন শেষ হতেই বললেন,”তোমার মা তো ছেলেকে দেখতে চাইছেন। কবে দেখতে পারবেন,উনি ফিক্স করে নিতে বললাম।”
গিরিধরের বাবা বললেন,” সুভাষের কাছে সব জেনে নিতে বললে না কেন?”
“দেখা আর জানা দুটো আলাদা ব্যাপার ,বুঝলে? তাই আমি বলেছি উনাদের সুবিধা মতো arrange করতে।”

ওলা ডাকার আগে,বললেন,”তোমার মাকে বলো আমাদের একটু তাড়াহুড়ো আছে। ওকে সংসারী করে ,আমরা একটু বেড়াতে বের হবো।অনেকদিন ধরে প্ল্যান করছি ,আর হয়ে উঠছে না। ”

ওলা আসতেই যেন হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। বিয়ের কথা শুনতে আর ভালো লাগছিলো না। গিরিধরকে bye বলে বেরিয়ে গেলাম।

ওলাতে বসে বসে ভাবলাম,ভদ্রমহিলা বেশ খোলা মনের মানুষ। মুখে আর মনে একই চিন্তা। বোধহয় উকিল, এইজন্য। আমার তো এই রকম মানুষ ভালো লাগে। কেউ কেউ সামনাসামনি একরকম; আর পেছন ঘুরলেই অন্যরকম। তার উপর বেশ স্মার্ট।
ভাবতে ভাবতে বাড়ি পৌঁছে গেলাম। রুমে ঢুকেই গিরিধরকে বললাম,” ভালোভাবে পৌঁছে গেছি। তোমাদের বাড়িতে মাছ খেয়ে যা ভালো লাগলো। তোমার মায়ের হাতের রান্না ভালো। এত ব্যস্ততার মধ্যেও এত কিছু করেন।
উত্তরে গিরিধর বললো,”yes, আমার মা খুব স্মার্ট। উনি জানেন না এমন কিছু বোধহয় পৃথিবীতে নেই। বলে জোরে জোরে হাসলো। সব জানা তো সম্ভব নয়, তাই হাসলাম।”

প্রায় সপ্তাখানেক পর বাড়ি চলে গেলাম। মা বাবা মুম্বাই এলেন গিরিধরকে দেখতে। সব কথাবার্তার পর বিয়ের দিন ঠিক হয়ে গেল। ডিসেম্বর 14th। লাস্ট দিন অগ্রহায়ণ এর। বিয়ে ঠিক হতেই কেমন যেন হচ্ছিলো। ভাবলেই মনের ভেতর কেমন যেন অনুভূতি হতে লাগলো। এখনও তো দুমাস আছে। মনে মনে ভাবলাম,কদিনের মধ্যে তো রেজাল্টও এসে যাবে। এবারে তো রেজাল্টও ভালো হতে হবে।
কিছুদিন পর রেজাল্ট আসতেই গিরিকে ফোন লাগলাম। বললাম,”ফাস্ট ক্লাস পেয়ে গেছি”।
“আর কি চাই । তোমার সাবজেক্ট কি তাও তো জিজ্ঞেস করা হয়নি”। গিরিধর বললো।

“আমি “Master of Arts (Human resource Management & Labour Relations) নিয়ে পড়েছি। চাকরী IT, ব্যাংক ,টেলিকম ,পাবলিক সেক্টর এ কাজ করতে পারি।”বললাম।

“তুমি কোথায় চাকরী করবে সেটা আমি জানি সোনামনি ! ওসব তো পরের কথা। তবে তুমি তো এখন বিয়ের চিন্তায় মগ্ন থাকবে।তাই না ? আমারওতো একই অবস্থা। বললো।
আর ফোন রেখে দিলো।

যথাসময়ে গিরিধর ও কণিকা বিবাহ বন্ধনে বদ্ধ হলো।

অষ্টমঙ্গল এ এসে গিরিধর দার্জিলিং ঘুরে দেখলো। সমুদ্রের ধারে বড় হওয়াতে পাহাড়িয়া জায়গা দেখে ওর মন ভরে গেল। বিয়ের পর প্রথম আশা তাই কণিকার মা বললেন,ধীরধাম ঘুরে আসতে। ওই মন্দির নাকি নেপালের পশুপতি মন্দিরের অনুরূপ। তাই আমরা ওখানে গেলাম।
তারপর গিরিধরকে নিয়ে toy ট্রেন এ চড়লাম। এখানের সবচেয়ে আকর্ষণীয় হলো toy ট্রেন। চারদিকে ঘোরার সময় মনোরম দৃশ্য অনুভব করা যায়।
পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য দেখে তো গিরি বার বার ফটো তুলতে লাগলো।

#স্বপ্ন #20 শেষ পর্ব

বিয়ের পর ফিরে এলো মুম্বাইতে। দার্জিলিং আর মুম্বাইয়ের আবহাওয়ায় অনেক ব্যবধান। গিরিধর অফিসে join করলো।
শাশুড়ীর সঙ্গে আত্মীয়দের বাড়ীতে যাওয়ার হিড়িক লাগলো। প্রত্যেক রবিবার কারোর না কারোর বাড়িতে যাওয়া চলতেই লাগলো। এক মাসিশাশুড়ীর বাড়িতে গিয়ে আশ্চর্য্য হলাম। কি মিষ্টি ভাষা। কিন্তু অন্তরের ব্যবধান বুঝতে পারলাম গিরিধরএর বলাতে। গিরিধর বললো,”যদিও আমি খুব একটা সংসারী নই ,তবুও এই মাসী থেকে সাবধান বলে দিলো। উনার সঙ্গে কথা একটু কমই বলো।শুধু শোনো।”
এভাবে এই পরিবারের সঙ্গে বেশ মিলেমিশে গেলাম। আমি ভালো গান গাই বলে ,শাশুড়ী প্রায়ই গান করতে বলেন। শাশুড়ীও বেশ ভালো গান করেন।
ছমাস যাওয়ার পর শ্বশুর শাশুড়ী ইউরোপ ঘোরার প্ল্যান করে টিকেট করলেন। প্রায় 15 দিনের জন্য।
উনারা যাওয়ার পর সংসারের দ্বায়িত্ব আমার উপরে এলো। গিরিধরকে আমি তখন গিরি বলেই ডাকতে আরম্ভ করেছি। ভালোবাসা বাড়তে শুরু হলো। কোনো মেয়ের সঙ্গে তার আগে প্রেম হয়নি। তাই ওর ভালোবাসা যেন দিনদিন বেড়ে চললো। একদিন বললো,”তোমাকে না ধরে ঘুমালে ,আমার যেন কেমন insecure লাগে। তুমি কাছে থাকলে যেন মনে হয়,আমার কাছে একটি গাছ আছে,যার ছায়ায় আমি সুরক্ষিত।”
“বাঃ বাঃ! কেমন যেন কাব্যের কথা বলছো।”বললাম
“কাব্য জানিনা,তবে তোমাকে জানি।”বললো।
আমি বললাম,”তোমার কি মনে পড়ে,তুমি যে বলেছিলে প্রথম রাতে, আমাকে অনেক যুগ ধরে চেনো।”
গিরিধর উত্তর দিলো,” সব মনে আছে গো! সব মনে আছে! তবে অনেকগুলো কথা হয়তো ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। শুধু ইশারায় হাসাহাসি করা যায়”।

প্রায় দুবছর পর এক পুত্র সন্তান জন্ম নিলো। খুব ধুমধামের সহিত অন্নপ্রাশন হলো। শাশুড়ী গানের আসরের ব্যবস্থা করলেন। এভাবে ছেলের নাম রাখা হলো প্রতীক। ডাক নাম সমু রাখা হলো।
একদিন গিরিধর এসে বললো, সমুকে আমরা বিদেশে পড়াবো।
সঙ্গে সঙ্গে আমি বললাম,” গিরি,এখন দিবাস্বপ্ন ছাড়। সত্যি স্বপ্ন দেখো।

একদিন ছেলেকে নিয়ে আমরা জুহু বিচ এ গেলাম। Beachএ দৌঁড়াদৌঁড়ি করে অনেক খেলা করলো ছেলের সঙ্গে ।খেলা শেষ করে স্টল এ পৌঁছতে সন্ধ্যে হয়ে গেল।
হঠাৎ পেছন থেকে কে যেন কণিকা বলে ডাকলো। পেছনে কাওকে দেখতে না পেয়ে একটু উৎসাহিত হলাম। গিরিকে বললাম”তুমি সমুকে দেখো,আমি দেখি,কে আমাকে ডাকলো।”
এই বলে স্টল টা পার হতেই দেখি,আমার বান্ধবীর দাদা।
বললাম, “দাদা দেখি ? কবে এলে?”
দাদার উত্তর শুনে তো আমি অবাক! বললো, “জানো তুমি যে চিঠি লিখেছিলে,আমি সেটা পেয়েছি। উত্তর দিতে সাহস হয়নি। তার কারণ,আমার মা বাবা আমার বিয়ে ঠিক করে নিয়েছিলেন। ওই দেখো আমার বউ আর মেয়ে। এই বলে দূরে বসা এক মহিলাকে দেখালো।
আমি বললাম,”দাদা, ওই চিঠির কথা এখন বলার কোনো মানে হয় না। আমি বুঝতে পেরেছি, বিয়ের পর যা ভালোবাসা পাওয়া যায়, তা অমূল্য। এই প্রেমের কোনো নাম নেই। যদি কোনো প্রেমময় পতি পাওয়া যায়,তা হলে,সেই বিবাহিত জীবন ধন্য হয়ে যায়। পূর্ণ হয়ে যায়। পূর্ণতার জন্য ভগবান পতি পত্নীকে তৈরি করে রাখেন।”
“দাদা বললো,” আজ বুঝতে পারছি, মেয়েমানুষের উপর সংসার নির্ভর করে। মেয়েরা সংসার গড়তে পারে,আবার ভাঙতেও পারে। মেয়েদের মধ্যে ভগবান হয়তো সেই শক্তি দিয়েছেন,যা নশ্বর।”

বললাম,” ঠাকুর, মেয়ে মানুষকে অবশ্যম্ভাবী, উদ্যমশীল, সহানুভূতিশীল, ক্ষমাশীল তৈরি করেছেন। ”

দাদা হেসে উত্তর দিলেন,” সকলক্ষেত্রেই ব্যতিক্রম থাকে। সকলের জীবন এক হয় না। শুনে খুশি হলাম, তুমি তোমার মনমতো মানুষের সাথে সংসার করছো।”

উত্তরে বললাম, “যা স্বপ্ন আমি দেখেছিলাম, আমার স্বামীকে নিয়ে, সকল গুণ আমি আমার প্রিয়তমের কাছে পেয়েছি। ভগবানের কাছে আমি অনেক কৃতজ্ঞ। উনি গিরিধরকে আমার জীবনে পাঠিয়েছেন।

  • ঈশ্বর সব মানুষের প্রার্থনা শোনেন । প্রার্থনার মাধ্যমে আমরা আমাদের ভালবাসা প্রকাশ করি। আমরা ভগবানের কাছে আমাদের ভক্তি এবং কৃতজ্ঞতা জানাই । এমনকি এটি বলা হয় যে প্রার্থনার মাধ্যমে একটি ভাগ্য পরিবর্তন করা যায় | আমরা যদি প্রেমভরে, আকুল হয়ে ঈশ্বরকে ডাকি, তবে ঈশ্বর তৎক্ষণাৎ সাড়া দেন। ঈশ্বর তাদের আন্তরিকভাবে নিজের কাছে টেনে নিয়ে যান ও তার কথা শোনেন। কি ভাবে শোনেন তার প্রমান আমরা অনেকবার পাই ,কিন্তু তা বিশ্বাস করতে হলে তাঁর অস্তিত্ব বোঝার ক্ষমতা থাকতে হবে। আমার জীবনে তিঁনি গিরিধরকে তাঁর দূত হিসাবে পাঠিয়েছেন। তাই ঈশ্বরের দূতকে ভালোবাসা দিয়ে পূর্ণ করা আমাদের কর্তব্য।


Posted in Uncategorized | 1 Comment »

Life span

May 7th, 2020 by Jashodhara Purkayastha

There was a bachelor , Sanjay who lived opposite to Priti’s house. Sanjay was sixty years old. Every time Priti used to call Sanjay uncle at her place even during celebrations. Every week, there was discussion at Priti’s place regarding some motivational topics. Priti’s children used to take part in the discussions. It was a daily chore of their life.
One day, Sanjay uncle said “Lets discuss, ‘there is no love in this universe’”. Priti asked him, “Why is this topic? With love, the universe exists. With love people are living united. With love society survives. Loves comes from within. You neither buy it from the market nor can arrange in a flower vase “.
“I don’t agree with you” Uncle said. He continued, “Whatever, you said are attachments not Love”.
Priti replied, ’my understanding of love may not match with your thought but relationship grows from trust, empathy and caring. Love life can be invaluable if anyone knows the value of love. Sanjay uncle said, “Attachment is a powerful weapon of binding. The first attachment begins with physical body. Then all the attachments crop up. Attachment grows when there is pleasure. Whenever there is attachment, there is infatuation and fear.
“Fear of what”? Priti asked curiously
“Fear of losing. Attachment brings misery but love brings contentment as love is bliss. Actually, love is freedom”. He said
Today, Priti is quite old and she remembered Sanjay uncle’s words. She felt that, he was very accurate. She thought could be he was reading a lot. Her children are grown up now. They are settled in their life.
Priti lives with her husband Shiva. Shiva takes care of her.
Once he told Priti,”I want you in my next birth but I want a bride who never tells me a hard word. The girl will love my physique. The girl will give me the food what I love. The girl will not bother for anyone but only for me”.
Every day, Shiva repeated the same thing. He said, “I love you a lot Priti”.
Every day, Priti said, ”I pray to God that you will get the girl of your choice in next birth. She continued with a smile, “If I die before you, you will get a girl of your choice. If you die before me, you have to bear me in next life also”. They laughed aloud.
Priti and her husband Shiva travelled here and there. Sometimes they visited their children’s’ place and enjoyed. One fortunate year, they thought of travelling to Nainital and it was summer, May month. It was quite chilly during summer month as well. Priti wore a kashmiri shawl which she bought during her son’s marriage. Shiva was in his usual blue jacket. Both were taking an evening walk. Very happily Priti said, “You remember, we came here long ago but now everything has changed a lot. Now we are scared to go to lake even. When we came for the first time we had ‘Chana Jor Garom’ as cold breeze was blowing”. Shiva told,” Yes our boat had stuck in the middle of the lake”.
Both of them returned to their hotel and had their small dinner. In the morning, Shiva got up early for a morning walk. He called Priti many times. He thought, Priti never slept in this manner. She woke up even with a small sound. He went near her and called again,’Priti! Priti!”. Priti did not reply and Shiva turned her pale face. He called the hotel manager for doctor’s help. The doctor came and declared her dead five hours ago. “Priti, you have kept your words” Shiva said that means you will not come to me again.

Posted in Uncategorized | No Comments »


July 9th, 2018 by Jashodhara Purkayastha

How does a man happy?  Social scientist,after a research,found that there are three major sources responsible for happiness— Genes, Events, Values.Researchers found that we inherit around 48% of our happiness.It is hard-wired in our genes which is why even demographically identical people vary in happiness.Thus,we find people who are happy despite living in difficult situations.

Events affect an amount of our happiness too. 40% of our happiness is accounted by the events but unfortunately,their effects are short-lived. The happiness we get from the things,we have dreamed about.–e.g getting a good job, getting admission in a good college etc are not lasting long.

Only 12% is our control remain with our value system. Our four basic values of faith, family,community and work has been shown to be the surest path of happiness. Happiness depend on how we think and behave,how our thought and action affect our emotional state,our work performance,our social relationships.

The world Health organization defines mental health is a state when a person realizes his/her abilities,can cope up with mental stresses of life,can work productively and fruitfully and can contribute to the community.

At the end, we can say that Happiness lies in the mind and it remains within.

Reference— Chapter by Dr. Vidya Talwalkar (Towards Mental Health And Happiness—IABH )

Posted in Psychology, Uncategorized | No Comments »

Shillong, Meghalaya

January 23rd, 2018 by Jashodhara Purkayastha

Worth Visiting

Posted in Uncategorized | No Comments »


August 23rd, 2016 by Jashodhara Purkayastha


বহুদিন ধরে বাংলা লিখা হয় না বলে খুবই কষ্ট বোধ করি | হঠাৎ করে আমার ছেলে সপ্তর্ষি ফোন করে বললো মা তুমি পূজার জন্য একটা কিছু লিখে দিতে পারবে কি ?” ভাবলাম আর জিজ্ঞেস করলাম ,”ইংরেজীতে না হিন্দীতে ?” সঙ্গে সঙ্গে বললো বাংলায় হলে সবচেয়ে ভালো হয় |

তাই আজ এই প্রবন্ধ লিখতে চেষ্টা করছি | কত ঘটনা ঘটে জীবনে | আমরা তো সব কটাই ভুলে যাই | কিছু ঘটনা হয়তো ভোলার মতো থাকে না | তাই আজ এক ঘটনার কথা লিখছি যা হয়তো আমিও কখন ভুলব না l

হঠাৎ আমার কাছে এক ফোন এলো লক্ষ্মীর I লক্ষ্মী আমার স্কুলের আরেকজন শিক্ষিকা |বললো আজকে একটু হিন্দুজা হাসপাতালে যেতে হবে আমাদের | ঠিক তিনটায় স্টেশনে এসে যাবি“| কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই ফোন রেখে দিলো | ওর কথামতো তিনটায় বেরিয়ে স্টেশনে পৌঁছে অপেক্ষা করছি | তখন তো আমাদের কাছে মোবাইল ছিল না ,তাই অপেক্ষা ছাড়া উপায় ছিল না | দশমিনিট বাদে ওকে দেখে জিজ্ঞেস করার সাহস পেলাম না | দুজনে লোকাল ট্রেন চড়লাম আর নির্দিষ্ট সময়মতো হিন্দুজাতে পৌঁছলাম I আজ মনে পড়ে যায় সেই কিশোর বালক চেতনের কথা |গায়ের রং ফর্সা | রিষ্টপুষ্ট এগারো বছরের বালক চেতনের হাসিভরা মুখখানা | মা বাবা দুজনেই ডাক্তার | বাবা চাইল্ড স্পেশালিস্ট আর মা প্যাথলজিস্ট | মনে পড়ে যায় তার ছয়মাস আগে আমাকে একদিন ক্লাসে খুব খুশি হয়ে জিজ্ঞেস করলো, “এবারে আমরা সবাই শিলঙ ঘুরতে যাবো জিজ্ঞেস করলাম হঠাৎ শিলঙ কেন ?” উত্তর শুনে চোখে জল এসে গেলো বললো, “কেন কি তুমি তো ওখানের তাই ! তোমার ছোট বেলার জায়গা যদি না দেখি, তাহলে তো তোমার স্টুডেন্ট হওয়া বৃথা শুনে মাথা নীচু হয়ে গেলো আর আবেগময় হয়ে বললাম, “তুমি যে ভালো ছাত্র আমি জানি, কিন্তু তুমি যে আমাকে এতো শ্রদ্ধা ভালোবাসো তা আজ তোমার কথায় প্রকাশ পেলো বলে চেতন কে জড়িয়ে ধরলাম

হিন্দুজার হাসপাতালে ঢুকতেই যেন গা ছমছম করে উঠলো লক্ষ্মী আর আমি দুজনের মুখেই কোনো কথা নেই আমি তো জানিনা কাকে দেখতে এসেছি তাই কোনো উদ্বিগ্নতা নেই লক্ষ্মী তখন আমাকে কিছুই বলেনি রুমের ভিতরে যেতেই দেখি চেতন

আমার বুকের ভিতর টা যেন খালি হয়ে গেলো মনে হলো যেন রক্তের প্রবাহ গর্জনশীল নদীর মতো বইছে একি! একি ! চেতন ! কি হলো তোমার !” বলে এগিয়ে গিয়ে দেখি, একটি পায়ের অপারেশন হয়েছে হাঁটু পর্যন্ত কাটা পা দেখে আঁতকে উঠলাম, কিন্তু ছেলের মুখে হাসি, আর বললো, ” কিছু না। জানো মিস, আমি তোমার বাড়ী দেখে এসেছি এই summer ওকে আদর করে নিজেকে না সামলাতে পেরে বাইরে এসে দাঁড়ালাম সঙ্গে সঙ্গে ওর মা, আমার কাছে এলেন আর বললেন, “আমি আপনাকে সব খুলে বলছি, আসুন আমরা বসি।

উনার কথা শোনার পর আমি আর লক্ষ্মী হাউ হাউ করে কেঁদে উঠলাম যেন আমাদের আকাশ বিদ্যুতের ধ্বনিতে টুকরো টুকরো হয়ে গেলো বললেন পা কাটতে হয়েছে কেন কি ক্যান্সার হাটু উপর পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে আমরা দুজনে এক সাথে বলে উঠলাম ক্যান্সার ! কি করে?” বললেন , “ক্রিকেট খেলতে গিয়ে বল লেগেছিলো ঠিক হাঁটুর উপরে খেলার পর তো কিছু বোঝা যায়নি শুধু একটু ফুলে গিয়েছিলো ।তারপর হঠাৎ করে তিনমাস পর ওখানে একটা ফোঁড়ার মত দেখা দেয় ফোঁড়া ভেবে ওর বাবা ঔষধ দিয়ে সেটাকে সারায় কিন্তু কিছুদিন পর ওই জায়গাটা শক্ত হয়ে উঠে ।তারপর আমার প্যাথলজি শুরু হলো ।পরীক্ষা করে দেখতেই তো আমরা দুজনে হতবাক কি করা যায় এখন। সঙ্গে সঙ্গে হিন্দুজাতে দেখানো আর এক সপ্তাহের মধ্যে কেমোথেরাপি কিন্তু তবুও পা টাকে কোনোমতেই বাঁচাতে পারলাম না এই বলে চেতনার মা আবেগময় হয়ে গেলেন।

আজ চেতনের কিশোর মুখটি চোখের সামনে ভেসে উঠে ঐদিন বাড়ীতে আসার পর Louise Hay বইটা খুলে দেখি যে ক্যান্সার এর কারণ হচ্ছে —–Longstanding resentment ( অনেকদিনের অপমানিত রাগ ), Deep Hurt ( গভীর আঘাত ) , Deep secret of grief eating away self ( গভীর দুঃখ বা গভীর চাপা বিষয় ) এই এগারো বছর বয়সের বালকের জীবনে এই কারণগুলি ভেবে আমি হয়রান হয়ে গেলাম আর Hay নতুন pattern of thought কে কিভাবে ওর উপর প্রয়োগ করবো বুঝে উঠতে পারলাম না

আমি ভাবলাম ,এই কারণগুলি তো এই এগারো বছর বয়সে সম্ভব নয় ,তবে কেন এমন হলো যদি মানুষ পূর্বজন্ম বিশ্বাস করে ,তাহলে হয়তো সেটাকে সত্যির দিকে পথ প্রদর্শন করা যায় কিন্তু এই পূর্বজন্মের সিদ্ধান্তে নাই বা গেলাম বৈকি ! তাহলে কি এর কারণের অনুসন্ধান অংশতঃ হয়ে থাকবে ! হয়তো পশ্চাদ্গমনের পদ্ধতি তে আমরা কোনো সন্তোষজনক উত্তর পেতে পারি

Posted in Uncategorized | No Comments »


July 29th, 2016 by Jashodhara Purkayastha

আজ আমার বাবার মৃত্যুর আঠারো বছর পূর্ণ হলো I১৯৯৮ এর  ২৯ এ জুলাই আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন I আজকের দিনে উনাকে  ম্যাটেরিয়েলি তো কিছু দিতে পারবো না তাই লিখি —


আজ এতো বচ্ছর ঘুরে গেলো কোথায় আছো তুমি ,

আছো শুধু মনের মাঝে যখন আমি ভাবি I

একদিন তো সবাই যাবে স্বর্গলোক  দেখতে কেমন

স্মৃতি শুধু রয়ে যাবে আপন লোকের মাঝে I

আজকে জানাই তোমায় পায়ে অনেক প্রণাম আমার

সহস্র  জন্মে এস আবার, আমার বাবা হয়ে I

Posted in Uncategorized | No Comments »


March 26th, 2016 by Jashodhara Purkayastha


গাইতে গিয়ে বসে ছিলাম,যখন আনমনে,

হঠাত্ করে চোখে পড়ে যায়,সেই গীতবিতানে

কাছে গিয়ে দেখি শুধু এমন আশ্চর্য্যে,

ভাবি শুধু মহান আত্মার এত ঐশ্বর্য্য

ঐশ্বর্য্য তো হয় না কেবল, হীরাপান্নার জোরে,

সব রত্ন তো লুকিয়ে আছে, তাঁর স্মরণীয় লিখায়.

পাতা উল্টে গান ধরেছি, সীমার মাঝে অসীম তুমি

কান্নার রোলে ভেসে যায় কেন বুঝতে পারি না আমি.

জালনা দিয়ে তাকিয়ে ভাবি,কেন এমন হলো

মনে হল যেন কবিরবির দৃষ্টি, শেষই কেন হলো.


Posted in Uncategorized | No Comments »