রচয়িতা

May 25th, 2020 by Jashodhara Purkayastha

একি ! একি! সুচরিতা না ! মহিলা আমার দিকে তাকাতেই আমি একেবারে মর্মাহত ! বড় বড় চাউনিতে ভাবলাম; সেই সুচরিতা! সারা মাথা পাকা চুলে ভরা। মুখের জৌলুস শেষ হয়ে গেছে । চামড়া কুঁচকে গেছে। মনে হচ্ছে সত্তর বছরের কোনো মহিলা।ওর আসল নাম সুচরিতা সেন। মিষ্টির দোকানে সামনাসামনি দেখতে পেয়েছি বলে চিনে নিলাম।

আমার ডাক শুনে মহিলা তাড়াতাড়ি করে সাথের এক সতের/ আঠারো মেয়েকে বললো,”আমাকে এখান থেকে তাড়াতাড়ি নিয়ে চল ! আমি এক মুহূর্ত ও এখানে দাঁড়াতে চাই না।”

মেয়েটি wheel চেয়ারটি ধাক্কা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে দেখে জোরে জোরে বলতে লাগলাম ,”সূচি, please একটু দাঁড়া, আমি কল্পনা নন্দী।
আমি কতদিন থেকে তোকে খুঁজে বেড়াচ্ছি মনে মনে ,তুই জানিস না। কত জনকে জিজ্ঞেস করেছি তোর ঠিকানা। কিন্তু কেউ সঠিক উত্তর দিতে পারেনি।” আমি পেছন পেছন বলে যাচ্ছিলাম।

দৌঁড়ে গিয়ে wheel চেয়ারটা ধরে মেয়েটিকে বললাম, “ছেড়ে দে; আমি ধাক্কা দিচ্ছি। এই বলে চেয়ারে হাত লাগতেই সূচি,পেছনে তাকিয়ে বললো,” কল্পনা” তুই! বলে ঝর ঝর করে আবেগময় হয়ে গেল।
সামনে একটা পার্কে নিয়ে যাই। চেয়ারটা লক করি। একটি বেঞ্চে বসতেই ওই মেয়েটিকে ডেকে সূচি বললো, “মিনু তুই একটু ঘুরে আয়, আমি আমার বান্ধবীর সাথে একটু কথা বলি। এই বলে 50 টাকার একটি নোট বের করে মিনুর হাতে দিলো।

আমি বেঞ্চে বসে সুচিকে wheel চেয়ার থেকে বেঞ্চে বসলাম।
জিজ্ঞেস করলাম,”সূচি তোর কেন এই অবস্থা। আজ ভাগ্যিস মিষ্টি কিনতে গেছিলাম। তাই তোর সঙ্গে দেখা হলো ।”

সুচরিতা বললো,”সে অনেক ঘটনা কলপু।তোর বিয়ের পর তো তুই আমেরিকা চলে যাস। তার ঠিক দুবছর পর আমার বিয়ে অরুণ দত্ত বলে একজনের সাথে ঠিক হয়। লোকটি আমাকে পছন্দ করেছিল আমার গান শুনে। আমার বিয়ের কার্ডও তোকে পাঠাতে পারলাম না।”

আমি বললাম,”তোর গান পছন্দ করবে না এমন লোক হয়তো এ দুনিয়ায় নেই সূচি; আজও আমার কানে বাজে — অঞ্জলি লহ মোর সংগীতে । আরো কত গান।”

তারপর সূচি বলতে লাগলো, “অরুণ দত্তও ভালো গান গাইতো। প্রফেশনাল গায়ক না হলেও বেশ নাম ডাক ছিল। কোনো উৎসবানষ্ঠান হলে ওকে অনেক জায়গায় গান গাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাতো। আমার সাথে বিয়ের পর বৌভাতের দিন অরুণ নিজেই একটা জলসার আয়োজন করেছিল। সেখানে গান গাওয়ার পর সকলে এত মুগ্ধ হলো যে বার বারই সকলেই বলতে লাগলো ,তুমি তো অরুণ কে হার মানলে!👍 আমি লজ্জায় ‘না !না’ বললাম।”

আমি উৎসুকতার সহিত জিজ্ঞেস করলাম,”সূচি, অরুণ বাবু কি তখন কোনো উত্তর দিয়েছিলেন ?
আমাদের অনেক অবগুন থাকে —- কাম, ক্রোধ, মদ,লোভ, মোহ আর মৎসর। এই অবগুন যখন আমাদের ওপর আধিপত্য শুরু করে, তখন মনের ভেতর এরা বাসা বেঁধে নেয়। তারপর মনকে কুরিয়ে কুরিয়ে খেতে থাকে। মন নিজের বশে আর থাকে না।”

সূচি বলতে লাগলো,”এসব তো তোর মতো এত বুঝি না! রে ; কল্পনা ! দুবছর এভাবে সংসার মোটামুটি ভালোভাবেই চলছিলো।

আমি অনেক জায়গায় প্রোগ্রাম করতে শুরু করলাম। এদিকে অরুণের গানের কদর কমতে আরম্ভ হলো। আমি অনেকবার প্রোগ্রাম বাতিলও করেছি। অরুণ আমাকে বেশ এড়িয়ে যেতে শুরু করে । প্রায়ই অফিস থেকে দেরিতে আসা শুরু করে।”
আমি উৎকণ্ঠিত হয়ে জিজ্ঞেস করলাম,”তারপর?”
কাঁপা গলায় সূচি বললো, “একদিন শাশুড়ি বললেন, তুমি আমার ছেলেকে একেবারে ধ্বংস করে দিলে”?
আমি আপনার ছেলের কোনো ক্ষতি করিনি মা ।” কান্নায় আকুল হয়ে উত্তর দিলাম।
“আমাকে মা বলতে এস না। নিজের স্বামীর দুঃখ যে মেয়েমানুষ বোঝে না সে আবার স্ত্রী ?? তাই তুমি একটা কুলটা। তুমি এক বন্ধ্যা।’
বন্ধ্যা শুনে কানে হাত দিয়ে চেঁচিয়ে বললাম,”মা আর কিন্তু একটি শব্দও শুনতে চাই না । আজ আপনি আমাকে এ কথা বলতে পারলেন?”
শাশুড়ী মুখ ঝামটে চলে গেলেন।
অরুণ বাড়ি আসতেই কান্নাকাটি করতে করতে বললেন,”আমি এক মুহূর্তও এই বাড়িতে থাকবো না। তোর বউ এর যা মুখ।”

অরুণ রুমে ঢুকেই বললো, ” অনেকদিন থেকেই বললো ভাবছিলাম,কথাটা । কিন্তু নানা বাঁধায় কথাটা বলা হয়ে উঠছিল না। আমি তোমার সাথে থাকতে পারবো না। এক সপ্তাহের মধ্যে ডিভোর্স পেপার পেয়ে যাবে।”

“কারণ টা কি জানতে পারি ,জিজ্ঞেস করলাম। একটু তর্কাতর্কিতে আমার দিকে হাত উঠানোর চেষ্টা করলো।
থাক ! থাক ! চলে যাবো। কিন্তু যাওযার আগে একটি কথা বলতে চাই অরুণ; এত হিংসা ভালো নয়! আজ গানের জন্য আমাকে ছেড়ে দিচ্ছ, এই গানই একদিন তোমাকে তোমার নাম ভুলিয়ে দেবে। কাল সকালে আমি চলে যাবো।”

সূচি বলতে লাগলো, “পরদিন এক মাসতুতো দিদির বাড়িতে চলে গেলাম। সঙ্গে নিয়ে গেলাম আমার গয়না যা ছিল আর কিছু শাড়ী। আমার সার্টিফিকেটও নিয়ে চলে গেলাম।
মা বাবার কাছে প্রায় দুবছর ছিলাম। এরই মধ্যে একটি গানের ক্লাসও শুরু করি। বেশ ভালোই চলছিল ক্লাস। এরই মধ্যে বাবার শরীর খারাপ হতে শুরু হলো। তাই সৌরভের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করলেন মা বাবা। বিয়ের পর আবার কলকাতা। লোকটি বেশ ভালোই। খুবই যত্নশীল। অনেক জাগরুক। বিয়ের পর গানের আসরে গান না গাইলেও, বাড়িতে বেশ জমতো গানের আড্ডা।
প্রায় বছরখানেক পর, হঠাৎ গানের আড্ডায় নিচে থেকে উঠতে গিয়ে যেন আর উঠলে পারছিলাম না। সৌরভ এসে হাত ধরে বিছানায় নিয়ে গেল। মেরুদণ্ড এর নীচে খুব ব্যথা। পরদিন ডাক্তার দেখানো হলো। ওষুধ চলতে লাগলো। দিনে দিনে যেন পেছনটা ওকেজ লাগছিলো।
এদিকে একদিন সৌরভ বাড়িতে ফিরে খাওয়া দাওয়া শেষ করে বললো,আজ চলো আইসক্রিম খেতে যাই। এই বলে আমরা বেরিয়ে বেশ আনন্দ করে বাড়ি ফিরলাম। ঠিক এগারোটা নাগাদ সৌরভ বললো,”আমার যেন কেমন বমি পাচ্ছে। এই বলেই বাথরুমে গেল। পেছনে আমিও গেলাম, কিন্তু মিনিটের মধ্যে আমার কাঁধে মাথা রেখে দিলো। চেঁচিয়ে বললাম, ” সৌরভ! সৌরভ ! সব শেষ।
তার পর আমি পঙ্গু হতে লাগলাম। ভাবলাম আমি নিজেই তো ভীষণ অপয়া। আর কারোর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখবো না । তার পর থেকে– আর কিছু জিজ্ঞেস করিস না please। এখন আমায় যেতে দে; কল্পনা।”

ডিভোর্সের আগে আমি একটি ছোট বাড়ি কিনেছিলাম সল্টলকে। ”

আমি ওকে আর কোনো অনুরোধ করতে পারলাম না। শুধু বললাম,”নিজের একটু যত্ন নিস সূচি। আর একটা অনুরোধ,তুই গানকে ঠাকুরের আশীর্বাদ হিসাবে চালিয়ে যাবি ;কথা দে।
“দিলাম” বলে বেরিয়ে গেলো। আমি হাত দেখিয়ে bye করলাম। চোখের জলে কিছুক্ষনের মধ্যেই ঝাপসা হয়ে গেল সূচি।

মিষ্টির বাক্স হাতে করে চলতে চলতে ভাবতে লাগলাম ,’রচয়িতা’ তো সর্বশ্রেষ্ঠ। উনি তো অনন্য। মনুষ্যকে পৃথিবীতে পাঠানোর আগে ,সেই মানুষের এক গল্প তৈরি করেন। তারপর সেই মানুষের কর্মের ধাঁচ অনুযায়ী তাকে সুখে অথবা দুঃখে থাকতে পৃথিবীতে অবতীর্ণ করেন। গল্পের মধ্যে মেঘ আর আলো দুটোই থাকে । আর কর্মের ফল অনুযায়ী হিসাবনিকাশ হয়। কোনো কর্মই অঙ্কের মতো সমীকরণ হয় না। তারপর গল্পপৃষ্ঠা চলতে থাকে। এই গল্প থেকে কি বাঁচার উপায় আছে?

Posted in Uncategorized | No Comments »

Life span

May 7th, 2020 by Jashodhara Purkayastha

There was a bachelor , Sanjay who lived opposite to Priti’s house. Sanjay was sixty years old. Every time Priti used to call Sanjay uncle at her place even during celebrations. Every week, there was discussion at Priti’s place regarding some motivational topics. Priti’s children used to take part in the discussions. It was a daily chore of their life.
One day, Sanjay uncle said “Lets discuss, ‘there is no love in this universe’”. Priti asked him, “Why is this topic? With love, the universe exists. With love people are living united. With love society survives. Loves comes from within. You neither buy it from the market nor can arrange in a flower vase “.
“I don’t agree with you” Uncle said. He continued, “Whatever, you said are attachments not Love”.
Priti replied, ’my understanding of love may not match with your thought but relationship grows from trust, empathy and caring. Love life can be invaluable if anyone knows the value of love. Sanjay uncle said, “Attachment is a powerful weapon of binding. The first attachment begins with physical body. Then all the attachments crop up. Attachment grows when there is pleasure. Whenever there is attachment, there is infatuation and fear.
“Fear of what”? Priti asked curiously
“Fear of losing. Attachment brings misery but love brings contentment as love is bliss. Actually, love is freedom”. He said
Today, Priti is quite old and she remembered Sanjay uncle’s words. She felt that, he was very accurate. She thought could be he was reading a lot. Her children are grown up now. They are settled in their life.
Priti lives with her husband Shiva. Shiva takes care of her.
Once he told Priti,”I want you in my next birth but I want a bride who never tells me a hard word. The girl will love my physique. The girl will give me the food what I love. The girl will not bother for anyone but only for me”.
Every day, Shiva repeated the same thing. He said, “I love you a lot Priti”.
Every day, Priti said, ”I pray to God that you will get the girl of your choice in next birth. She continued with a smile, “If I die before you, you will get a girl of your choice. If you die before me, you have to bear me in next life also”. They laughed aloud.
Priti and her husband Shiva travelled here and there. Sometimes they visited their children’s’ place and enjoyed. One fortunate year, they thought of travelling to Nainital and it was summer, May month. It was quite chilly during summer month as well. Priti wore a kashmiri shawl which she bought during her son’s marriage. Shiva was in his usual blue jacket. Both were taking an evening walk. Very happily Priti said, “You remember, we came here long ago but now everything has changed a lot. Now we are scared to go to lake even. When we came for the first time we had ‘Chana Jor Garom’ as cold breeze was blowing”. Shiva told,” Yes our boat had stuck in the middle of the lake”.
Both of them returned to their hotel and had their small dinner. In the morning, Shiva got up early for a morning walk. He called Priti many times. He thought, Priti never slept in this manner. She woke up even with a small sound. He went near her and called again,’Priti! Priti!”. Priti did not reply and Shiva turned her pale face. He called the hotel manager for doctor’s help. The doctor came and declared her dead five hours ago. “Priti, you have kept your words” Shiva said that means you will not come to me again.

Posted in Uncategorized | No Comments »

Happiness

July 9th, 2018 by Jashodhara Purkayastha

How does a man happy?  Social scientist,after a research,found that there are three major sources responsible for happiness— Genes, Events, Values.Researchers found that we inherit around 48% of our happiness.It is hard-wired in our genes which is why even demographically identical people vary in happiness.Thus,we find people who are happy despite living in difficult situations.

Events affect an amount of our happiness too. 40% of our happiness is accounted by the events but unfortunately,their effects are short-lived. The happiness we get from the things,we have dreamed about.–e.g getting a good job, getting admission in a good college etc are not lasting long.

Only 12% is our control remain with our value system. Our four basic values of faith, family,community and work has been shown to be the surest path of happiness. Happiness depend on how we think and behave,how our thought and action affect our emotional state,our work performance,our social relationships.

The world Health organization defines mental health is a state when a person realizes his/her abilities,can cope up with mental stresses of life,can work productively and fruitfully and can contribute to the community.

At the end, we can say that Happiness lies in the mind and it remains within.

Reference— Chapter by Dr. Vidya Talwalkar (Towards Mental Health And Happiness—IABH )

Posted in Psychology, Uncategorized | 1 Comment »

Shillong, Meghalaya

January 23rd, 2018 by Jashodhara Purkayastha

Worth Visiting

Posted in Uncategorized | No Comments »

অবিস্মরনীয়

August 23rd, 2016 by Jashodhara Purkayastha

অবিস্মরনীয়

বহুদিন ধরে বাংলা লিখা হয় না বলে খুবই কষ্ট বোধ করি | হঠাৎ করে আমার ছেলে সপ্তর্ষি ফোন করে বললো মা তুমি পূজার জন্য একটা কিছু লিখে দিতে পারবে কি ?” ভাবলাম আর জিজ্ঞেস করলাম ,”ইংরেজীতে না হিন্দীতে ?” সঙ্গে সঙ্গে বললো বাংলায় হলে সবচেয়ে ভালো হয় |

তাই আজ এই প্রবন্ধ লিখতে চেষ্টা করছি | কত ঘটনা ঘটে জীবনে | আমরা তো সব কটাই ভুলে যাই | কিছু ঘটনা হয়তো ভোলার মতো থাকে না | তাই আজ এক ঘটনার কথা লিখছি যা হয়তো আমিও কখন ভুলব না l

হঠাৎ আমার কাছে এক ফোন এলো লক্ষ্মীর I লক্ষ্মী আমার স্কুলের আরেকজন শিক্ষিকা |বললো আজকে একটু হিন্দুজা হাসপাতালে যেতে হবে আমাদের | ঠিক তিনটায় স্টেশনে এসে যাবি“| কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই ফোন রেখে দিলো | ওর কথামতো তিনটায় বেরিয়ে স্টেশনে পৌঁছে অপেক্ষা করছি | তখন তো আমাদের কাছে মোবাইল ছিল না ,তাই অপেক্ষা ছাড়া উপায় ছিল না | দশমিনিট বাদে ওকে দেখে জিজ্ঞেস করার সাহস পেলাম না | দুজনে লোকাল ট্রেন চড়লাম আর নির্দিষ্ট সময়মতো হিন্দুজাতে পৌঁছলাম I আজ মনে পড়ে যায় সেই কিশোর বালক চেতনের কথা |গায়ের রং ফর্সা | রিষ্টপুষ্ট এগারো বছরের বালক চেতনের হাসিভরা মুখখানা | মা বাবা দুজনেই ডাক্তার | বাবা চাইল্ড স্পেশালিস্ট আর মা প্যাথলজিস্ট | মনে পড়ে যায় তার ছয়মাস আগে আমাকে একদিন ক্লাসে খুব খুশি হয়ে জিজ্ঞেস করলো, “এবারে আমরা সবাই শিলঙ ঘুরতে যাবো জিজ্ঞেস করলাম হঠাৎ শিলঙ কেন ?” উত্তর শুনে চোখে জল এসে গেলো বললো, “কেন কি তুমি তো ওখানের তাই ! তোমার ছোট বেলার জায়গা যদি না দেখি, তাহলে তো তোমার স্টুডেন্ট হওয়া বৃথা শুনে মাথা নীচু হয়ে গেলো আর আবেগময় হয়ে বললাম, “তুমি যে ভালো ছাত্র আমি জানি, কিন্তু তুমি যে আমাকে এতো শ্রদ্ধা ভালোবাসো তা আজ তোমার কথায় প্রকাশ পেলো বলে চেতন কে জড়িয়ে ধরলাম

হিন্দুজার হাসপাতালে ঢুকতেই যেন গা ছমছম করে উঠলো লক্ষ্মী আর আমি দুজনের মুখেই কোনো কথা নেই আমি তো জানিনা কাকে দেখতে এসেছি তাই কোনো উদ্বিগ্নতা নেই লক্ষ্মী তখন আমাকে কিছুই বলেনি রুমের ভিতরে যেতেই দেখি চেতন

আমার বুকের ভিতর টা যেন খালি হয়ে গেলো মনে হলো যেন রক্তের প্রবাহ গর্জনশীল নদীর মতো বইছে একি! একি ! চেতন ! কি হলো তোমার !” বলে এগিয়ে গিয়ে দেখি, একটি পায়ের অপারেশন হয়েছে হাঁটু পর্যন্ত কাটা পা দেখে আঁতকে উঠলাম, কিন্তু ছেলের মুখে হাসি, আর বললো, ” কিছু না। জানো মিস, আমি তোমার বাড়ী দেখে এসেছি এই summer ওকে আদর করে নিজেকে না সামলাতে পেরে বাইরে এসে দাঁড়ালাম সঙ্গে সঙ্গে ওর মা, আমার কাছে এলেন আর বললেন, “আমি আপনাকে সব খুলে বলছি, আসুন আমরা বসি।

উনার কথা শোনার পর আমি আর লক্ষ্মী হাউ হাউ করে কেঁদে উঠলাম যেন আমাদের আকাশ বিদ্যুতের ধ্বনিতে টুকরো টুকরো হয়ে গেলো বললেন পা কাটতে হয়েছে কেন কি ক্যান্সার হাটু উপর পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে আমরা দুজনে এক সাথে বলে উঠলাম ক্যান্সার ! কি করে?” বললেন , “ক্রিকেট খেলতে গিয়ে বল লেগেছিলো ঠিক হাঁটুর উপরে খেলার পর তো কিছু বোঝা যায়নি শুধু একটু ফুলে গিয়েছিলো ।তারপর হঠাৎ করে তিনমাস পর ওখানে একটা ফোঁড়ার মত দেখা দেয় ফোঁড়া ভেবে ওর বাবা ঔষধ দিয়ে সেটাকে সারায় কিন্তু কিছুদিন পর ওই জায়গাটা শক্ত হয়ে উঠে ।তারপর আমার প্যাথলজি শুরু হলো ।পরীক্ষা করে দেখতেই তো আমরা দুজনে হতবাক কি করা যায় এখন। সঙ্গে সঙ্গে হিন্দুজাতে দেখানো আর এক সপ্তাহের মধ্যে কেমোথেরাপি কিন্তু তবুও পা টাকে কোনোমতেই বাঁচাতে পারলাম না এই বলে চেতনার মা আবেগময় হয়ে গেলেন।

আজ চেতনের কিশোর মুখটি চোখের সামনে ভেসে উঠে ঐদিন বাড়ীতে আসার পর Louise Hay বইটা খুলে দেখি যে ক্যান্সার এর কারণ হচ্ছে —–Longstanding resentment ( অনেকদিনের অপমানিত রাগ ), Deep Hurt ( গভীর আঘাত ) , Deep secret of grief eating away self ( গভীর দুঃখ বা গভীর চাপা বিষয় ) এই এগারো বছর বয়সের বালকের জীবনে এই কারণগুলি ভেবে আমি হয়রান হয়ে গেলাম আর Hay নতুন pattern of thought কে কিভাবে ওর উপর প্রয়োগ করবো বুঝে উঠতে পারলাম না

আমি ভাবলাম ,এই কারণগুলি তো এই এগারো বছর বয়সে সম্ভব নয় ,তবে কেন এমন হলো যদি মানুষ পূর্বজন্ম বিশ্বাস করে ,তাহলে হয়তো সেটাকে সত্যির দিকে পথ প্রদর্শন করা যায় কিন্তু এই পূর্বজন্মের সিদ্ধান্তে নাই বা গেলাম বৈকি ! তাহলে কি এর কারণের অনুসন্ধান অংশতঃ হয়ে থাকবে ! হয়তো পশ্চাদ্গমনের পদ্ধতি তে আমরা কোনো সন্তোষজনক উত্তর পেতে পারি

Posted in Uncategorized | No Comments »

Baba

July 29th, 2016 by Jashodhara Purkayastha

আজ আমার বাবার মৃত্যুর আঠারো বছর পূর্ণ হলো I১৯৯৮ এর  ২৯ এ জুলাই আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন I আজকের দিনে উনাকে  ম্যাটেরিয়েলি তো কিছু দিতে পারবো না তাই লিখি —

 

আজ এতো বচ্ছর ঘুরে গেলো কোথায় আছো তুমি ,

আছো শুধু মনের মাঝে যখন আমি ভাবি I

একদিন তো সবাই যাবে স্বর্গলোক  দেখতে কেমন

স্মৃতি শুধু রয়ে যাবে আপন লোকের মাঝে I

আজকে জানাই তোমায় পায়ে অনেক প্রণাম আমার

সহস্র  জন্মে এস আবার, আমার বাবা হয়ে I

Posted in Uncategorized | No Comments »

গীত

March 26th, 2016 by Jashodhara Purkayastha

গীত

গাইতে গিয়ে বসে ছিলাম,যখন আনমনে,

হঠাত্ করে চোখে পড়ে যায়,সেই গীতবিতানে

কাছে গিয়ে দেখি শুধু এমন আশ্চর্য্যে,

ভাবি শুধু মহান আত্মার এত ঐশ্বর্য্য

ঐশ্বর্য্য তো হয় না কেবল, হীরাপান্নার জোরে,

সব রত্ন তো লুকিয়ে আছে, তাঁর স্মরণীয় লিখায়.

পাতা উল্টে গান ধরেছি, সীমার মাঝে অসীম তুমি

কান্নার রোলে ভেসে যায় কেন বুঝতে পারি না আমি.

জালনা দিয়ে তাকিয়ে ভাবি,কেন এমন হলো

মনে হল যেন কবিরবির দৃষ্টি, শেষই কেন হলো.

 

Posted in Uncategorized | No Comments »

Make Every moment Pleasurable

July 3rd, 2014 by Jashodhara Purkayastha

 

 

One night when we were discussing about life, it came to my mind that why can’t make every moment a pleasurable moment.

By doing the following things we may make the moment pleasurable.

  1. Live in present .

  2. Enjoy every moment.

  3. When laugh, laugh aloud.

  4. When cry, cry to the brim.

  5. When with girlfriend/boyfriend, enjoy without thinking past or future.

  6. If eating, eat to the fullest.

  7. If doing aerobics, exercise, do with happy mood. Don’t bother for others.

  8. While doing shopping, buy the choicely things.

  9. While bathing, enjoy every shower.

  10. While meditation, think, I’m the soul and wants to join the Supreme.

  11. When studying, be with the book.

  12. While cooking, Enjoy every act

  13. Lastly, one thing I want to mention, when I was reading a book “Living with Himalayan Master”, I found one important saying— Those who brood on the past and never live here and now, this is the cause of their suffering.

 

Posted in Uncategorized | No Comments »

Happy Women’s Day

March 8th, 2014 by Jashodhara Purkayastha

Creation, Patience, Architecture, Support, Love, Family –all together in one person  — that is a Woman

Lots she bears without a word,

Huge she surrenders for the ward.

Caring and loving, a tender touch

Continuous  support & attentive watch.

A woman gives birth to a child
Feeds the baby with sleepless nights,

The first teacher who shows the light,

Indebted to her till the last rite.

 

Posted in Uncategorized | 2 Comments »

Soul Mating

February 21st, 2014 by Jashodhara Purkayastha

Love story not only means physical relationship but also  soul mating.Read the book WHERE LOVE BEGINSVibhavari

A person cannot live alone. He needs something which encourages him/her to lead a good life. That is why marriage is not only a physical relation or bonding between children but also a relation between a mind and soul. The main purpose of marriage is that each one gets a soul mate which is very important for a happy life.

VIBHAVARI

Posted in Uncategorized | 1 Comment »