Orlando

June 27th, 2020 by Jashodhara Purkayastha

Last December 2019,We decided to visit Orlando,Florida USA. My son planned everything & jotted down the places of visiting. He rented a SUV for travelling. Early morning,we boarded on the car.

Orlando is the best and safest city in Florida. It has many restaurant, coffee shops and parks.

Many families,mainly seniors shift here after their retirement as the city tend to be liberal and not very expensive. The place is known for Disney world and Universal studio. There are lots of attraction.People visit world famous theme parks. People visit Universal studios, Cinderella castle at Walt Disney world. While travelling towards Orlando,we stopped at many places. We went through Atlanta ,Georgia. It took almost 16 hours to reach Orlando as we stopped in many places. Otherwise,it takes 14 hours 2 minutes. We boarded from Indiana covering 1630 km.till Orlando.

We enjoyed the road trip. We stopped at many places as my grand daughter couldn’t sit for long time in her car seat. We stopped at Louisville, Nashville, Chattanooga,Macon and planned to stop at Atlanta while returning.

While stopping at Ocala, my grand daughter started crying and didn’t want to board in her car seat. We failed to make her understand as she was only one and half  years old.

All of a sudden, an old senior came near the car and smilingly asked, “May I  help you in any way? Why is the baby uncomfortable? Where are your destination ?”

Here in USA, people are quite friendly but they will not touch children without parents permission.

I replied,”We are going to Orlando , Florida. She doesn’t want to sit in her car seat. We are trying our level best to  apprehend but she is quite young to understand it”.

The senior said ,”If you don’t mind, I live at the back of this gas station. Can you come to my place for sometime? The baby will feel fresh and then you can leave for your destination. Orlando is only one hour from Ocala.”

With hesitation,we agreed to his proposal and walked with him. We reached his home in no time.

He opened the apartment and said, “We used to live in California during our service era. After retirement ,we shifted here and we heard that this is the cheapest place to live in. Many people shift here after retirement. Six months ago, my wife left me and reached abode”. He pointed his pointer upward.

After reaching his home, my granddaughter was so happy as if she had been here before. She ran here and there. He looked for some ball or toys but didn’t get. My granddaughter unexpectedly found a small ball and happily brought it to him.

He was very happy to see the ball and said ,”This was my Jacky’s (dog) ball. My granddaughter played for sometime. Got tired and slept.

Toddlers always enjoy having other kids around. Sometimes they expect  to “play” with elderly. They are thrilled about sharing toys with elders but not with other toddlers. She was happy with the stranger we met in the gas station. We thanked him and said good bye to him. We meet so many people in life. It is said that “once we meet means we have already met in previous birth and will meet again in later life.”

 

Posted in Social Issues, Uncategorized | 1 Comment »

Guastatoppen, Norway.

June 24th, 2020 by Jashodhara Purkayastha

hGaustatoppen

Gaustatoppen

Posted in Tips, Uncategorized | 1 Comment »

Swapno 19 & 20

June 8th, 2020 by Jashodhara Purkayastha

# স্বপ্ন # 19 পর্ব
ডিনার খাওয়ার পর গিরিধরের মা বললেন,”কণিকা তোমার মাকে ফোন লাগাও। আমি একটু কথা বলবো। তোমার বয়স কত হলো ?”
“আমার বয়স 23 বছর। এই বলে মাকে ফোন লাগালাম। বললাম,”গিরিধরের মা তোমার সঙ্গে কথা বলতে চান।”
“আমি শর্মিষ্ঠা দেব বলছি। আমি গিরিধরের মা। গিরীশ দেব ওর বাবা। আমরা ও আমাদের ছেলে সকলেই উকালতি পড়েছি। আমরা দুজনে হাইকোর্টে প্র্যাক্টিস করি আর আমাদের ছেলে লিগ্যাল advisor.
আমার ছেলের বয়স 28 years. আপনাদের কোনো আপত্তি আছে বিয়েতে।”
এত স্পষ্টবাদী দেখে আমিও অবাক হয়ে উনার দিকে তাকিয়ে রইলাম।
ফোন শেষ হতেই বললেন,”তোমার মা তো ছেলেকে দেখতে চাইছেন। কবে দেখতে পারবেন,উনি ফিক্স করে নিতে বললাম।”
গিরিধরের বাবা বললেন,” সুভাষের কাছে সব জেনে নিতে বললে না কেন?”
“দেখা আর জানা দুটো আলাদা ব্যাপার ,বুঝলে? তাই আমি বলেছি উনাদের সুবিধা মতো arrange করতে।”

ওলা ডাকার আগে,বললেন,”তোমার মাকে বলো আমাদের একটু তাড়াহুড়ো আছে। ওকে সংসারী করে ,আমরা একটু বেড়াতে বের হবো।অনেকদিন ধরে প্ল্যান করছি ,আর হয়ে উঠছে না। ”

ওলা আসতেই যেন হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। বিয়ের কথা শুনতে আর ভালো লাগছিলো না। গিরিধরকে bye বলে বেরিয়ে গেলাম।

ওলাতে বসে বসে ভাবলাম,ভদ্রমহিলা বেশ খোলা মনের মানুষ। মুখে আর মনে একই চিন্তা। বোধহয় উকিল, এইজন্য। আমার তো এই রকম মানুষ ভালো লাগে। কেউ কেউ সামনাসামনি একরকম; আর পেছন ঘুরলেই অন্যরকম। তার উপর বেশ স্মার্ট।
ভাবতে ভাবতে বাড়ি পৌঁছে গেলাম। রুমে ঢুকেই গিরিধরকে বললাম,” ভালোভাবে পৌঁছে গেছি। তোমাদের বাড়িতে মাছ খেয়ে যা ভালো লাগলো। তোমার মায়ের হাতের রান্না ভালো। এত ব্যস্ততার মধ্যেও এত কিছু করেন।
উত্তরে গিরিধর বললো,”yes, আমার মা খুব স্মার্ট। উনি জানেন না এমন কিছু বোধহয় পৃথিবীতে নেই। বলে জোরে জোরে হাসলো। সব জানা তো সম্ভব নয়, তাই হাসলাম।”

প্রায় সপ্তাখানেক পর বাড়ি চলে গেলাম। মা বাবা মুম্বাই এলেন গিরিধরকে দেখতে। সব কথাবার্তার পর বিয়ের দিন ঠিক হয়ে গেল। ডিসেম্বর 14th। লাস্ট দিন অগ্রহায়ণ এর। বিয়ে ঠিক হতেই কেমন যেন হচ্ছিলো। ভাবলেই মনের ভেতর কেমন যেন অনুভূতি হতে লাগলো। এখনও তো দুমাস আছে। মনে মনে ভাবলাম,কদিনের মধ্যে তো রেজাল্টও এসে যাবে। এবারে তো রেজাল্টও ভালো হতে হবে।
কিছুদিন পর রেজাল্ট আসতেই গিরিকে ফোন লাগলাম। বললাম,”ফাস্ট ক্লাস পেয়ে গেছি”।
“আর কি চাই । তোমার সাবজেক্ট কি তাও তো জিজ্ঞেস করা হয়নি”। গিরিধর বললো।

“আমি “Master of Arts (Human resource Management & Labour Relations) নিয়ে পড়েছি। চাকরী IT, ব্যাংক ,টেলিকম ,পাবলিক সেক্টর এ কাজ করতে পারি।”বললাম।

“তুমি কোথায় চাকরী করবে সেটা আমি জানি সোনামনি ! ওসব তো পরের কথা। তবে তুমি তো এখন বিয়ের চিন্তায় মগ্ন থাকবে।তাই না ? আমারওতো একই অবস্থা। বললো।
আর ফোন রেখে দিলো।

যথাসময়ে গিরিধর ও কণিকা বিবাহ বন্ধনে বদ্ধ হলো।

অষ্টমঙ্গল এ এসে গিরিধর দার্জিলিং ঘুরে দেখলো। সমুদ্রের ধারে বড় হওয়াতে পাহাড়িয়া জায়গা দেখে ওর মন ভরে গেল। বিয়ের পর প্রথম আশা তাই কণিকার মা বললেন,ধীরধাম ঘুরে আসতে। ওই মন্দির নাকি নেপালের পশুপতি মন্দিরের অনুরূপ। তাই আমরা ওখানে গেলাম।
তারপর গিরিধরকে নিয়ে toy ট্রেন এ চড়লাম। এখানের সবচেয়ে আকর্ষণীয় হলো toy ট্রেন। চারদিকে ঘোরার সময় মনোরম দৃশ্য অনুভব করা যায়।
পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য দেখে তো গিরি বার বার ফটো তুলতে লাগলো।

#স্বপ্ন #20 শেষ পর্ব

বিয়ের পর ফিরে এলো মুম্বাইতে। দার্জিলিং আর মুম্বাইয়ের আবহাওয়ায় অনেক ব্যবধান। গিরিধর অফিসে join করলো।
শাশুড়ীর সঙ্গে আত্মীয়দের বাড়ীতে যাওয়ার হিড়িক লাগলো। প্রত্যেক রবিবার কারোর না কারোর বাড়িতে যাওয়া চলতেই লাগলো। এক মাসিশাশুড়ীর বাড়িতে গিয়ে আশ্চর্য্য হলাম। কি মিষ্টি ভাষা। কিন্তু অন্তরের ব্যবধান বুঝতে পারলাম গিরিধরএর বলাতে। গিরিধর বললো,”যদিও আমি খুব একটা সংসারী নই ,তবুও এই মাসী থেকে সাবধান বলে দিলো। উনার সঙ্গে কথা একটু কমই বলো।শুধু শোনো।”
এভাবে এই পরিবারের সঙ্গে বেশ মিলেমিশে গেলাম। আমি ভালো গান গাই বলে ,শাশুড়ী প্রায়ই গান করতে বলেন। শাশুড়ীও বেশ ভালো গান করেন।
ছমাস যাওয়ার পর শ্বশুর শাশুড়ী ইউরোপ ঘোরার প্ল্যান করে টিকেট করলেন। প্রায় 15 দিনের জন্য।
উনারা যাওয়ার পর সংসারের দ্বায়িত্ব আমার উপরে এলো। গিরিধরকে আমি তখন গিরি বলেই ডাকতে আরম্ভ করেছি। ভালোবাসা বাড়তে শুরু হলো। কোনো মেয়ের সঙ্গে তার আগে প্রেম হয়নি। তাই ওর ভালোবাসা যেন দিনদিন বেড়ে চললো। একদিন বললো,”তোমাকে না ধরে ঘুমালে ,আমার যেন কেমন insecure লাগে। তুমি কাছে থাকলে যেন মনে হয়,আমার কাছে একটি গাছ আছে,যার ছায়ায় আমি সুরক্ষিত।”
“বাঃ বাঃ! কেমন যেন কাব্যের কথা বলছো।”বললাম
“কাব্য জানিনা,তবে তোমাকে জানি।”বললো।
আমি বললাম,”তোমার কি মনে পড়ে,তুমি যে বলেছিলে প্রথম রাতে, আমাকে অনেক যুগ ধরে চেনো।”
গিরিধর উত্তর দিলো,” সব মনে আছে গো! সব মনে আছে! তবে অনেকগুলো কথা হয়তো ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। শুধু ইশারায় হাসাহাসি করা যায়”।

প্রায় দুবছর পর এক পুত্র সন্তান জন্ম নিলো। খুব ধুমধামের সহিত অন্নপ্রাশন হলো। শাশুড়ী গানের আসরের ব্যবস্থা করলেন। এভাবে ছেলের নাম রাখা হলো প্রতীক। ডাক নাম সমু রাখা হলো।
একদিন গিরিধর এসে বললো, সমুকে আমরা বিদেশে পড়াবো।
সঙ্গে সঙ্গে আমি বললাম,” গিরি,এখন দিবাস্বপ্ন ছাড়। সত্যি স্বপ্ন দেখো।

একদিন ছেলেকে নিয়ে আমরা জুহু বিচ এ গেলাম। Beachএ দৌঁড়াদৌঁড়ি করে অনেক খেলা করলো ছেলের সঙ্গে ।খেলা শেষ করে স্টল এ পৌঁছতে সন্ধ্যে হয়ে গেল।
হঠাৎ পেছন থেকে কে যেন কণিকা বলে ডাকলো। পেছনে কাওকে দেখতে না পেয়ে একটু উৎসাহিত হলাম। গিরিকে বললাম”তুমি সমুকে দেখো,আমি দেখি,কে আমাকে ডাকলো।”
এই বলে স্টল টা পার হতেই দেখি,আমার বান্ধবীর দাদা।
বললাম, “দাদা দেখি ? কবে এলে?”
দাদার উত্তর শুনে তো আমি অবাক! বললো, “জানো তুমি যে চিঠি লিখেছিলে,আমি সেটা পেয়েছি। উত্তর দিতে সাহস হয়নি। তার কারণ,আমার মা বাবা আমার বিয়ে ঠিক করে নিয়েছিলেন। ওই দেখো আমার বউ আর মেয়ে। এই বলে দূরে বসা এক মহিলাকে দেখালো।
আমি বললাম,”দাদা, ওই চিঠির কথা এখন বলার কোনো মানে হয় না। আমি বুঝতে পেরেছি, বিয়ের পর যা ভালোবাসা পাওয়া যায়, তা অমূল্য। এই প্রেমের কোনো নাম নেই। যদি কোনো প্রেমময় পতি পাওয়া যায়,তা হলে,সেই বিবাহিত জীবন ধন্য হয়ে যায়। পূর্ণ হয়ে যায়। পূর্ণতার জন্য ভগবান পতি পত্নীকে তৈরি করে রাখেন।”
“দাদা বললো,” আজ বুঝতে পারছি, মেয়েমানুষের উপর সংসার নির্ভর করে। মেয়েরা সংসার গড়তে পারে,আবার ভাঙতেও পারে। মেয়েদের মধ্যে ভগবান হয়তো সেই শক্তি দিয়েছেন,যা নশ্বর।”

বললাম,” ঠাকুর, মেয়ে মানুষকে অবশ্যম্ভাবী, উদ্যমশীল, সহানুভূতিশীল, ক্ষমাশীল তৈরি করেছেন। ”

দাদা হেসে উত্তর দিলেন,” সকলক্ষেত্রেই ব্যতিক্রম থাকে। সকলের জীবন এক হয় না। শুনে খুশি হলাম, তুমি তোমার মনমতো মানুষের সাথে সংসার করছো।”

উত্তরে বললাম, “যা স্বপ্ন আমি দেখেছিলাম, আমার স্বামীকে নিয়ে, সকল গুণ আমি আমার প্রিয়তমের কাছে পেয়েছি। ভগবানের কাছে আমি অনেক কৃতজ্ঞ। উনি গিরিধরকে আমার জীবনে পাঠিয়েছেন।

  • ঈশ্বর সব মানুষের প্রার্থনা শোনেন । প্রার্থনার মাধ্যমে আমরা আমাদের ভালবাসা প্রকাশ করি। আমরা ভগবানের কাছে আমাদের ভক্তি এবং কৃতজ্ঞতা জানাই । এমনকি এটি বলা হয় যে প্রার্থনার মাধ্যমে একটি ভাগ্য পরিবর্তন করা যায় | আমরা যদি প্রেমভরে, আকুল হয়ে ঈশ্বরকে ডাকি, তবে ঈশ্বর তৎক্ষণাৎ সাড়া দেন। ঈশ্বর তাদের আন্তরিকভাবে নিজের কাছে টেনে নিয়ে যান ও তার কথা শোনেন। কি ভাবে শোনেন তার প্রমান আমরা অনেকবার পাই ,কিন্তু তা বিশ্বাস করতে হলে তাঁর অস্তিত্ব বোঝার ক্ষমতা থাকতে হবে। আমার জীবনে তিঁনি গিরিধরকে তাঁর দূত হিসাবে পাঠিয়েছেন। তাই ঈশ্বরের দূতকে ভালোবাসা দিয়ে পূর্ণ করা আমাদের কর্তব্য।

    শেষপর্ব

Posted in Uncategorized | 1 Comment »

স্বপ্ন 17 & 18 পর্ব

June 4th, 2020 by Jashodhara Purkayastha

#স্বপ্ন # 17
সমুদ্রে ঘুরতে ঘুরতে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছিল।তবে প্রেমের অনুভূতি যেন মনের ভেতরে হতে লাগলো। গিরিধরের সঙ্গে কথা বলতে বলতে ভাবছিলাম, প্রেমের জন্য নাম,ড্রেস কিছুই চাই না। নাম তো শুধু একটা পরিচয়। ড্রেস তো একটা শরীর ঢাকার পরিপোষক ।
প্রেমের কোনো নাম হয় না। কোনো জাত হয় না। কোনো ধর্ম হয় না। শুধু অনুভূতি আর দুয়ের সমন্বয়।
হাতে হাত ধরে দুজনে সমুদ্রের সৌন্দর্য্য অনুভব করছিলাম।

হঠাৎ গিরিধরকে বললাম,”একটা গান শোনাও please.
“আমি তো এত বাংলা গান জানিনা”,বললো।
“যা জানো তাই, শোনাও।” বললাম।

গাইতে লাগলো,—-তুম জো মিল গ্যয়ে হ, তো ইয়ে লাগতা হ্যায় কে জাহা মিল গ্যয়া ।
এক ভটকে হুই রাহীকো কারওয়া মিল গ্যয়া।
ব্যইঠো ন দূর হোমসে,দেখো খোফা ন হ
কিসমৎ সে মিল গ্যে হ, মিলকে জুদা ন হ
মেরি ক্যাখতা হ্যায়, হোতা হ্যায় ইয়ে ভী
কী জমী সে ভী ক্যাভি আসমা মিল গ্যয়া
তুম জো মিল গ্যেয় হ —

तुम जो मिल गए हो, तो ये लगता है
के जहां मिल गया
एक भटके हुए राही को, कारवाँ मिल गया

बैठो न दूर हमसे, देखो खफ़ा न हो
क़िस्मत से मिल गए हो, मिलके जुदा न हो
मेरी क्या ख़ता है, होता है ये भी
की ज़मीं से भी कभी आसमां मिल गया
तुम जो मिल गए हो…

तुम क्या जानो तुम क्या हो, एक सुरीला नगमा हो
भीगी रातों में मस्ती, तपते दिल में साया हो
अब जो आ गए हो जाने न दूंगा
की मुझे इक हसीं मेहरबाँ मिल गया
तुम जो मिल गए हो…

तुम भी थे खोए-खोए, मैं भी बुझा-बुझा
था अजनबी ज़माना, अपना कोई न था
दिल को जो मिल गया है तेरा सहारा
इक नई ज़िंदगी का निशां मिल गया
तुम जो मिल गए हो…

পুরো গান শেষ হতেই বললাম,”তুমি তো দারুণ গাঁও গো। এত সুন্দর হিন্দী গান। তোমার সঙ্গে ঘুরতে ঘুরতে প্রায় অন্ধকার হয়ে গেল বুঝতেই পারলাম না।

“এখন তাড়াতাড়ি পা চালাও, অন্ধকারে এসব জায়গা ভালো নয়। গিরিধর বললো ও আমাকে হাত ধরে দৌঁড়তে লাগলো।

Beach থেকে বেরিয়ে শপিং এর জন্য গেলাম। বাজার দেখে তো আমার চক্ষু চড়কগাছ। এত ঝলমল আর লোকারণ্য। অনেক কিছুই কিনলাম। প্রায় দশটা বেজে গেলো। তারপর রেস্টুরেন্টে গেলাম। পাও ভাজি খেলাম। Bandra পর্যন্ত অটোরিক্সাতে বাস স্টপে এলাম। বাস এ চাপিয়ে গিরিধর চলে গেলো। বাড়িতে ঢুকলাম,প্রায় 11.45 এ। আস্তে আস্তে দরজা খুলে পা টিপে টিপে নিজের রুম এ গিয়ে গিরিধর কে ফোন করে জানিয়ে দিলাম।
“পৌঁছে গেছি। তুমি?
“বাড়িতে” বলে ফোন রেখে দিলো।

#স্বপ্ন #18 পর্ব
বাড়ি পৌঁছে কখন যে ঘুম লেগে গেল বুঝতে পারলাম না। পরদিন সকালে উঠে মাকে ফোন করলাম। ভিডিও তে দেখলাম যা কিনেছি। বললাম,”বাজারের লোকারণ্য যদি দেখতে, তাহলে বুঝতে পারতে মুম্বাই কি ! ঘোরাঘুরির পর বুঝতে পারছি, মুম্বাইতে একবার কেউ এলে আর কেন ফিরতে চায় না।
মা বললেন,” এখন বলো,টিকিট করেছ কি?তাড়াতাড়ি না করলে পাবে না। একটা কাজ করি,আজ তোমার বাবাকে বলি,তোমার টিকিট টা করে নিতে।”
“না মা ! আমি আজই চেষ্টা করবো আর তোমাকে জানিয়ে দেবো,কেমন !! বললাম।
মা ফোন রাখতেই গিরিধর ফোন করলো,
” আজ বিকেলে Dadar এসো।”
” কেন? মা বাবা আসতে বলেছেন। আমি অফিস থেকে আসার সময়,তোমার জন্য Dadar এ অপেক্ষা করবো। তারপর একসঙ্গে চলে যাবো বাড়ি।”

ওর বাবা মার কথা শুনে একটু ইতস্ততঃ করে বললাম, ” আজই ডেকেছেন?”
“কেন ? কিছু অসুবিধা আছে?” জিজ্ঞেস করলো।
“না! সেরকম কিছু না। তবে আজ টিকিট করবো ভেবেছিলাম।”
“টিকিট করতে কতটুকুই বা সময় লাগে; তা তো এখনই করতে পারো।” অফিসের সময় হচ্ছে জানিয়ে ফোন রেখে দিলো।

বিকেলে একটা নীল রঙের শাড়ী পরে দাদর এ নামলাম। দেখি গিরিধর অপেক্ষা করছে। আমাকে দেখেই বললো , “বাঃ কি যে সুন্দর দেখাচ্ছে নীল রঙের শাড়ীতে। আর চোখের কাজলে যেন চোখের চাহুনি আরও তীক্ষ্ণ করে দিয়েছে।
“লজ্জায় বললাম,”ঠিক আছে! ঠিক আছে ! এবারে চলো। এখান থেকে 5 মিনিট লাগবে। এটা দাদার ইস্ট এ। Dadar আর Matunga এর মধ্যে এই কলোনী। মুম্বাইয়ে কোনো কিছুই দরজার কাছে নয়। আমরা Dadarএর হিন্দু কলোনীতে থাকি। তবে স্টেশনের খুবই কাছে। অনেক পুরোনো কলোনী।
কথা বলতে বলতে পৌঁছে গেলাম। বুক ধুকধুক তো করছিলো। ওর মাকে তো ওইদিন দেখেছি। আজ হয়তো বাবার সঙ্গেও দেখা হবে।
দরজায় বেল বাজতেই একজন ভদ্রলোক দরজা খুললেন। গিরিধর বললো,”বাবা ও কণিকা।”
বাবা বললেন,”আগেতো ভেতরে আসতে দাও। তারপর পরিচয়।”
ভেতরে যেতেই ওর বাবাকে পা ছুঁয়ে প্রণাম করলাম। ওর মা একটা ট্রে করে জল নিয়ে এলেন। পা ছুঁতেই বললেন,” থাক ! থাক! আজ তো শাড়ী পরে বেশ বড়সড় লাগছ। আমি Mrs শর্মিষ্ঠা দেব আর উনি গিরীশ দেব। আমরা দুজনেই হাই কোর্টের উকিল। গোপাল আমাদের একমাত্র ছেলে। গিরিধরকে আমরা গোপাল ডাকি।
হাসি মুখে জিজ্ঞেস করলাম,”আপনাদের দুজনের নাম তো খুব সুন্দর; তাহলে আপনাদের ছেলের নামের এই ছিরি ! ”
” ছিরি ? একি বলছো তুমি ! এই নাম শর্মিষ্ঠার খুব পছন্দ । ওর বাবা বললেন।
গোপালের জন্মের দুমাস আগে,রোজ সকালে উঠে বলতো,ও নাকি গোপালের স্বপ্ন দেখেছে। তাই আমি একটা ক্যাসসেট কিনে দি। “মেরে তো গিরিধর গোপাল,দুসর না কোয়ি।” তারপর জন্ম হতেই এই নাম।
ওর মা আমাকে ওদের ঠাকুরের আসন দেখাতে নিয়ে গেলেন। দেখি নাড়ু গোপালের ফটো। কি মিষ্টি নাড়ু গোপাল।
” প্রতি জন্মাষ্টমীতে উনার জন্য ঝুলা বানিয়ে পুজো করি। বললেন।
ওই ফাঁকে গিরিধর স্নান করে পায়জামা পাঞ্জাবী পরে এসে আমার উল্টোদিকে বসলো। আমি ওকে দেখছিলাম,কি সুপুরুষ লাগছিলো পাঞ্জাবীতে।
বাবা জিজ্ঞেস করলেন,”তোমরা নাকি দার্জিলিং থাকো। আগে নাকি শিলিগুড়িতে থাকতে? আমার এক বন্ধুও শিলিগুড়িতে থাকে। সুভাষ দত্ত।
সুভাষ কাকু ?জোরে বললাম, উনি তো ডাক্তার। আমাদের কলোনীতে থাকতেন। একবার দার্জিলিং ঘুরেও গেছেন। আমাদের বাড়িতে ছিলেন।
“আচ্ছা ,তাহলে তো তোমাদের খুব কাছের লোক ? তাই না ? ওর বাবা বললেন।
আমি বললাম, সুভাষ কাকুর মেয়ে উন্নতিদি আমার দু ক্লাস সিনিয়র।”
গিরিধরের মা এসে বসলেন, চা আর সিঙ্গাড়া নিয়ে। বললেন,” চা খাও আর আমার কথা মন দিয়ে শোনো। তোমার গায়ের রং তো উজ্জ্বল শ্যাম বর্ণ আর আমার ছেলের রং শ্যাম বর্ণ। তাই চেয়েছিলাম ওর বউ যেন একটু ফর্সা হয়। কিন্তু আমার ছেলে তোমাকে পছন্দ করেছে,তাই আমাদের কোনো আপত্তি মানায় না।
তবে আজ নীল শাড়ী পরে তোমাকে খুব সুন্দর দেখাচ্ছে।
হঠাৎ গিরিধর বলে উঠলো,”কি বললে মা কনিকাকে! আমার হাতে newspaperটা ছিলো, তাই ভালো করে শুনতে পারলাম না।
ওর বাবা বললেন,”তুই তো জানিস গোপাল,তোর মার তো ফর্সা মেয়ে পছন্দ। কিন্তু কণিকা তো বেশ ভালোই দেখতে।
“মা কাউকে দুঃখ দেবে না; এটা তো তুমিই বলো, তাহলে এটা বলতে গেলে কেন? “গিরিধর বললো।
বললাম, “গিরি, আমার মনে লাগেনি। আমি খুশি হয়েছি। আন্টির মন খুব পরিষ্কার ,তা তো বুঝতে পারলাম।”

Posted in Bangla | No Comments »

Unknown Occurrence

June 4th, 2020 by Jashodhara Purkayastha

During lockdown, we heard of many people stuck in different places. Many tourists went on a tour to Kashmir but were stuck there. They remained in the hotel and their stock of money got over and couldn’t return home.
Everyday,  I stand on my balcony to see some migrants staying opposite in an under construction building. They took bath in the morning and had their food four to five times.
Everyday, myself and my neighbour chat on pandemic. She loves my stories. She always asks me to send any kind of write up. Every morning,  I send her some story or write up.

One unfortunate night, myself and my neighbour were chatting on whatsapp till 10.p.m . Afterwards, I went to sleep. My son woke me up and asked me to watch a good movie. He said,it’s a Anupam Kher’s movie. So I was ready to watch the movie. With concentration, we were watching the movie. At about, 10.30p.m our door bell rang. With surprise, we looked at each other. I opened the door. A lady from our building informed that our neighbour passed away at 10.23 p.m. l was really shocked and went inside my neighbour’s house🏠.

She told me, after we stopped chatting at 10p.m, her husband was feeling breathlessness and within no time, he put his head on her shoulder. He held her fingers very tight. She noticed that her husband’s tongue came out and she felt that he was No More.
Immediately, she called the doctor who lives in the second floor. He came and declared him dead by  severe heart attack.Death was not by COVID-19 but by heart attack.
Life cannot be assured by anyone. God has written a story for everyone. Date of birth, all important incidences and the date of death. No one can stop it. No one can bring it back.

Posted in Social Issues | No Comments »

A Stranger

June 4th, 2020 by Jashodhara Purkayastha

A Stranger

My happiness engulfing me due to a strange incidence while writing this story.
This was a boy; I met in the train while travelling. We boarded the train and found our middle berth was empty. We were sitting in the train and waiting for the fellow passenger. Shortly after, the train left and no one came to occupy the middle seat. I thought its fine for us and told my husband,” it will be better for us if no one comes.”
After an hour the train stopped for the first stoppage. We noticed a boy about seventeen or eighteen years old was searching for his seat. I asked, “Is it your seat”? With a smile, he politely said, “yes”. He kept his small bag under the seat and comfortably sat beside me.
It was evening time and we felt like drinking coffee or tea. The tea vendor came and we ordered two cups of tea. I even asked the boy, “Are you going to drink tea”? “No, I don’t take tea”. Sipping lowly, I asked him, “Where do you live”?
He uttered the name but I could not hear it properly as the train had picked up speed. The description of his place was so interesting that I was completely immersed into it and could not notice anything around me. He was describing the place as a quickly developing industrial area. This is almost 125 Km from the main city. It is a sea port. This port is the deepest sea port. It is situated in Bay of Bengal and at the confluence of Mahanadi River. It is the first natural sea port in Odisha.
Telling this much, he was about to stop, in the mean time, I spoke so loudly,”Oh! I know, you are talking about Paradip (that surprised me)..
”Are you studying”? My husband asked him.
“Yes, Yes, I’m studying in IIT. Hearing this, my mind moved emotionally and thought that was why he was so sober.
I asked him, “What is your hobby”?
By an amused expression, he said,”My hobby is writing poems.
Oh! I eagerly asked, Can you recite any one of your poems.
“Do you love listening to poems”?
Oh! Of course!
He said, “Poetry is a form where your life can be expressed in two lines and everyone ought to know how to express through this art form”.

Then he started reciting his own poem,

God created us as greatest existence,
Bestowed with power and intelligence To know what role to play here
Different roles we can choose here.

Mother gives birth to a child
Feeds the baby with sleepless nights
Father takes care of the family
Ensuring whole-hearted support continuously.

Teacher plays a gardener’s role,
Sowing seeds into proper symmetrical hole
Nurture values, setting parameters
Hoping for a juicy fruits with values & virtues.

Difficult to be a righteous human If thoughts are not like prudent man Everyone seeks to be a selfless person.
Only to be covered by our senses often.

Selfless human never work with expectation
Never bother for name or reputation
Delivers his work with diligence, determination His motto attires no caste, creed or religion.

“What is the name of the poem”? I asked
“Human Being”. I said, you’ll be a successful person in your life, in your job as well as in your hobby of writing.
“Great concept”. My husband said.

At about 11p.m we went to sleep. Early morning he got down at a station.
When he was getting ready for disembark, I asked his name. “Sudeep”. Smiled at us and climbed down from the train.

I had forgotten the train journey and even the boy. Sometimes we used to discuss about the boy and remembered him.
Our life was running as usual. Every six months we went to our son’s place and stayed for six months in USA.
Seven years later, I’m seventy years old. My husband is seventy-six years. This time when we were returning from USA, our ticket was from New York to Amsterdam then Mumbai.
Suddenly, I saw a gentleman sitting opposite to us. I was looking at him curiously. He was least bothered of anyone as he was reading a book. He did not have any inquisitiveness around him.
I asked my husband, “Did you notice the man opposite to us”? He did not answer anything. Then I told him to bring some coffee for us.

 

My husband went to bring coffee for us and I was busy with my tab reading an article how miracle happens.
All of a sudden I felt a man standing in front of me. I just looked up and smiled at him. He said, “Ma’am do you remember me? We met in the train few years back.”
“Yes! Yes! I inquisitively stared at him. I was searching you for many years on Facebook and Twitter but in vain. I remembered your name as Sudeep but no surname. Even you never asked my name but I recognised you when I saw you sitting opposite to us here in the airport.
Sudeep sat beside me and said, “Ma’am you should know that I have written a poem about you and was awarded a first prize. The name of the Poem is “A Woman I Met”.
“Where and when”, I asked with a chocked voice.
Tears rolled down my cheeks completely drenching me. I patted him and said with a trembling voice, “I knew Sudeep when we met in the train for the first time.
“Do you remember that I told you that you will become a successful man as well as a great poet and author.”?
“Ma’am GOD has willed us to meet again now but I don’t want to lose you anymore. I am going to Mumbai now for some official work travelling by Delta.”
“Oh! Same flight we are there as well. I am delighted to see you again. It is said that once we meet means we have already met in previous birth and will meet again in later life.”

Posted in Social Issues | No Comments »

Bel Tree (Wood Apple)

June 3rd, 2020 by Jashodhara Purkayastha

Four decades ago my mother-in law planted a Bel tree near our flat. It grew into a big tree full of Bilva patra(Bel leaves) and bears fruits throughout the year. The bel fruits take almost a year to ripen. It is smooth and light green in colour when tender and turns yellow when ripe. It has a speciality of its own; it drops down automatically when ripe. The fruit is yellow in colour with lots of seed and it is a fibrous fruit. After breaking the outer part of the fruit, pulp can be extracted. Though it is a labourious task to separate seeds from the fruit, yet it is refreshing and used as medicinal drink.The tree is thorny and evergreen.My mother once said, that Nandi (The Bull) and Bhiringi(Bhrigu) clean up the place under the Bel tree That is why you will find that there are no leaves under the Bel tree.The leaves are trifoliate and very smooth. It is said that Bilvapatra is used for diabetic patients. Once a man came and asked me, “Can I take some leaves from the tree”? I thought, my tree is full of leaves, let him take few. I answered, “Yes you can take”. One day, during the dawn, I saw the same man with a stick in his hand. I was watching him from inside. Suddenly, I saw that he was trying to pull the raw fruit from the tree. I really got annoyed and asked him, “That day you took permission for the leaves but today, you are hitting the tree so hard. Don’t you know that trees get hurt and they cry? Please throw the stick at once”. The man answered with a low voice, “I know, they get hurt & I thought you were sleeping. I’m a diabetic patient and raw juice is very good for diabetes. The juice of the leaves is good for ulcers and intestinal aliments and very soothing for the eyes. The fresh leaves act as a mild laxative in fever. The root is used to cure heart palpitation. The bark of the tree is also used for intestinal aliments. It is said that the bel fruit juice is used in curing diarrhoea, dysentery and used as a laxative”. Listening to all the advantages, I greeted him with a Namaskar and said, “if you can climb on the tree, you can take one”. “I’m an old person. I cannot climb on the tree even. This is a thorny tree”. the man said with a low voice. I went inside but couldn’t see whether he took or not. Next day ,in the evening, he came near my window and called me. I told him,”you can take leaves or fruit whatever you want. He said, “if you don’t mind,I want to tell you two sentences about its religious values.The religious value of bilvapatra is that without these leaves worship of Lord Shiva is incomplete. One offers bel leaf (with three leaves) to Shiva. It should be kept on the Shiva linga with its back facing upwards and stalk pointing towards the worshipper”. I smiled and said ,”The intention is to draw the combined energy from these three leaves towards oneself”. I could not see him for some weeks. I was little worried and look for him here and there. A month later, he came for leaves. I asked him, “What happened to you? Are you not feeling well? Where is your family members?” He smiled. His answer surprised me a lot. He said, ” From last, few years, I always prayed to God that, I want to see Lord Shiva before my death. Today when I was sleeping, I saw a man with a robe in front of me. My bed was fully lighted with the rays”. I curiously asked him,” was he a thief”? He smiled and said,” Lord Shiva came near me today and said, you always wanted to see Me. I’ve come here to meet you. Lord gave some rays on my head and disappeared.” The man said, “You helped me a lot with bel leaves and with it’s fruit” and said goodbye and went away. I was smiling in my mind that Lord Shiva had left His tiger skinned dress now and started wearing a robe! 🤔 He knew that today’s people loved such dress. In the afternoon, people from the area ran towards the gate and found that the same man had collapsed. People try to take him to the hospital but he left his last breath there. I don’t know whether God comes or not but I have a similar wish to see Him once before my death. When I heard about the man died on the spot, I just thought that man might have died when he was talking to me. Thinking about the incident, I opened my door. Immediately, my neighbour also opened her door and told me about the demise of the same man in the afternoon. I replied to her, “It can’t be possible. He came near my bel tree and talked to me regarding bel tree and its flowers. I can’t believe that he died in the afternoon”. I told my neighbour, “every day morning, while praying, I ask God to forgive me if I have done anything wrong with anyone. Today morning, I saw a yogi on a video.I thought, how can the yogi collected so much energy within. Then the thought came in the mind that everything may be possible if we know & trust our inner energy. We can join the outer and inner energy to know the hidden energy within. Soul can travel but come as a same body is really unexplored till date”. We both smiled at each other and closed the door. I went near the window and watched my bel tree lovingly and just promised in my mind that from today, this tree belonged to everyone. When everything of this tree is useful for mankind,why I should use it selfishly. “Save Tree,Save Humanity”

Posted in Psychology | No Comments »

Swapno 17 porbo

June 2nd, 2020 by Jashodhara Purkayastha

#স্বপ্ন # 17
সমুদ্রে ঘুরতে ঘুরতে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছিল।তবে প্রেমের অনুভূতি যেন মনের ভেতরে হতে লাগলো। গিরিধরের সঙ্গে কথা বলতে বলতে ভাবছিলাম, প্রেমের জন্য নাম,ড্রেস কিছুই চাই না। নাম তো শুধু একটা পরিচয়। ড্রেস তো একটা শরীর ঢাকার পরিপোষক ।
প্রেমের কোনো নাম হয় না। কোনো জাত হয় না। কোনো ধর্ম হয় না। শুধু অনুভূতি আর দুয়ের সমন্বয়।
হাতে হাত ধরে দুজনে সমুদ্রের সৌন্দর্য্য অনুভব করছিলাম।

হঠাৎ গিরিধরকে বললাম,”একটা গান শোনাও please.
“আমি তো এত বাংলা গান জানিনা”,বললো।
“যা জানো তাই, শোনাও।” বললাম।

গাইতে লাগলো,—-তুম জো মিল গ্যয়ে হ, তো ইয়ে লাগতা হ্যায় কে জাহা মিল গ্যয়া ।
এক ভটকে হুই রাহীকো কারওয়া মিল গ্যয়া।
ব্যইঠো ন দূর হোমসে,দেখো খোফা ন হ
কিসমৎ সে মিল গ্যে হ, মিলকে জুদা ন হ
মেরি ক্যাখতা হ্যায়, হোতা হ্যায় ইয়ে ভী
কী জমী সে ভী ক্যাভি আসমা মিল গ্যয়া
তুম জো মিল গ্যেয় হ —

तुम जो मिल गए हो, तो ये लगता है
के जहां मिल गया
एक भटके हुए राही को, कारवाँ मिल गया

बैठो न दूर हमसे, देखो खफ़ा न हो
क़िस्मत से मिल गए हो, मिलके जुदा न हो
मेरी क्या ख़ता है, होता है ये भी
की ज़मीं से भी कभी आसमां मिल गया
तुम जो मिल गए हो…

तुम क्या जानो तुम क्या हो, एक सुरीला नगमा हो
भीगी रातों में मस्ती, तपते दिल में साया हो
अब जो आ गए हो जाने न दूंगा
की मुझे इक हसीं मेहरबाँ मिल गया
तुम जो मिल गए हो…

तुम भी थे खोए-खोए, मैं भी बुझा-बुझा
था अजनबी ज़माना, अपना कोई न था
दिल को जो मिल गया है तेरा सहारा
इक नई ज़िंदगी का निशां मिल गया
तुम जो मिल गए हो…

পুরো গান শেষ হতেই বললাম,”তুমি তো দারুণ গাঁও গো। এত সুন্দর হিন্দী গান। তোমার সঙ্গে ঘুরতে ঘুরতে প্রায় অন্ধকার হয়ে গেল বুঝতেই পারলাম না।

“এখন তাড়াতাড়ি পা চালাও, অন্ধকারে এসব জায়গা ভালো নয়। গিরিধর বললো ও আমাকে হাত ধরে দৌঁড়তে লাগলো।

Beach থেকে বেরিয়ে শপিং এর জন্য গেলাম। বাজার দেখে তো আমার চক্ষু চড়কগাছ। এত ঝলমল আর লোকারণ্য। অনেক কিছুই কিনলাম। প্রায় দশটা বেজে গেলো। তারপর রেস্টুরেন্টে গেলাম। পাও ভাজি খেলাম। Bandra পর্যন্ত অটোরিক্সাতে বাস স্টপে এলাম। বাস এ চাপিয়ে গিরিধর চলে গেলো। বাড়িতে ঢুকলাম,প্রায় 11.45 এ। আস্তে আস্তে দরজা খুলে পা টিপে টিপে নিজের রুম এ গিয়ে গিরিধর কে ফোন করে জানিয়ে দিলাম।
“পৌঁছে গেছি। তুমি?
“বাড়িতে” বলে ফোন রেখে দিলো। Read the rest of this entry »

Posted in Bangla | No Comments »

I Want to Live for Myself

June 2nd, 2020 by Jashodhara Purkayastha

As a mother, I gave birth & showed you the light of the Earth,

You crawled, you stood, you ran and climbed the train’s Berth.

I spent many sleepless night when you had high fever,

Next day took leave from work,neglect you never.

I sat with you to teach the lesson but can’t help you to learn,

Everywhere I was there with you to help and not to get any burn.

In each and every path of life, I gave you the direction,

I gave you freedom in every step to take a proper decision.

I taught you the right and wrong, what I knew was the right,

You had sometimes chosen the wrong path with stubborness & might.

I gave you so many toys, when you make my expectation clear,

You might not have liked those toys, but accepted them with honour.

I taught you to share with all and never to become selfish,

You followed it often, continued it & fulfill your wishes.

Though I taught you to respect elders, yet can’t force you to follow,

I tried to give you the value of life, but could not teach you to follow.

I told you many moral stories and discuss about God,

Godliness is difficult to follow as it is like a iron rod.

Though I had carried you in my womb and taken care till now,

Yet I want to live for myself, in this venerable age without any glow.

I want to cook for myself now,what I didn’t do these years.,

Try some recipes, from the younger genesis, spreading open arms.

Buy some fancy dresses,what I not worn before on top ,

Order on-line with pictures in front, opening my laptop.

I sing some favourite songs aloud and record them on mobile,

Sometimes upload on YouTube or sometimes hum a little.

I write my untold stories, share with my dear ones and unfamiliar one,

Those who read them, show the gratitude and love alone.

Living for others,making for dear ones could be one kind of happiness,

Knowing oneself from body to soul within could be forever endless .

Posted in Poems, Psychology | No Comments »

एक छोटासा बच्चा

June 2nd, 2020 by Jashodhara Purkayastha

रोज की तरह ,मैं मेरी छोटीसी एक बंगलो में बैठी थी। मैं और मेरे पति अविनाश हाथ में समाचारपत्र लेकर बैठे थे।
हम सुबह के चाह नीचे ही पीते हैं । क्योंकि हमारे ड्रॉइंग रूम नीचे ही हैं।
मेरा बंगलो दो मंजिल वाली हैं। नीचे एक तरह रोसईघर ,एक तरह छोटीसी ड्रॉइंग रूम।
रूम में एक छोटीसी TV भी हैं। एक बुकशेल्फ हैं। जँहा पर थोड़ीसी किताबें रक्खी हुई है क्योंकि मुझे किताब पड़ना पसंद हैं।
रोसोईघर में एक फ्रीज़ और सैमसंग माइक्रो ऑवन हैं। शुद्ध पानी के लिए एक वाटर फ़िल्टर हैं। वर्तन और गॅस स्टोव के बारे में बताना ज़रूरी नहीं हैं। काँच के वर्तन के लिए एक छोटीसी अलमिरः हैं। यह मेरी पसंदीदा वस्तु हैं।
मेरा छोटासा बंगलो के प्रवेशद्वार के एक कोने में एक गन्देफुल के गुच्छे हैं। ज्यादा फूल तो नहीं है लेकिन सदाफूली हैं क्योंकि वे शिवजी को बहुत पसदं हैं। भीतर आतेही ऊपर जानेवाले बड़ा और चौड़ा सीड़ी दिखाई देता।
शायद जो लोग मुम्बई के हैपेरसिटी मॉल में गए हैं, उन्होंने देखा हैं वे सीढ़िया ऐसेही सीढ़िया मेरी दूसरी मंजिल तक जाते हैं।
उसदिन चाह शेष करने के बाद ,मैन सोचा क्यों न मैं अब अख़बार पढ़ लूँ। जैसे ही मैं ,समाचारपत्र के लिए हात बड़ाई, देखती हूँ, एक पाँच / छः साल का एक लड़का सीढ़ी से ऊपर जा रहा हैं। उसके शरीर पर न शार्ट न बनियन हैं। नीचे एक नीली सी हाफ पेन्ट।
उसे देखतेही मैंने आवाज दी ।उठकर सामने देखने लगी। दरवाजा तो बंद हैं ! तो वह आया कैसे ? मनमें सोची शायद सिटकनी बंद नही किया था।

मैंने पति से पूछा ,”आपने दरवाजे की कुंडी लगाए थे?”
उनका उत्तर सुननेके पहले ही मैं ऊपर जाने लगी। दो सीढ़ी बाकी थी, मैं देखती हूं, वह लड़का हमारे रूम में एक लंबीसी टेबल हैं। उसमे काफ़ी सारे ड्रावर हैं। उसके ऊपर एक सूटकेस रखा था।।

सीढ़ी से सूटकेस दिखाई देता हैं। देखती हूं, लड़का सूटकेस के पीछे छुपे हुए हैं। टेबल और सूटकेस के बीच से उसकी आँखे चमक रही हैं।
मैंने उसको जोर जोर से बुलाने लगी। वह नहीं आया। दो बार बुलाने के बाद ,वह तरतर कर सीढ़ीसे निकल गया। मैं चिल्लाकर पति को बुलाया। देखते ही देखते लड़का निकल गया। उन्होंने पूछा,”कौन सा लड़का ?”
उनको तो पताभी नहीं था कि लड़का ऊपर था। लड़का नीचे जाकर मुख्य दरवाजा से निकल गया।
निमिष में देखती हु वह खेत के भीतर से भाग रहा हैं।
मैं चिल्लाते हुए उसके पीछे भाग रही हु। मेरी बाल बहुत लंबी हैं। मैं एक फुलवारी कमीज पहन रक्खी थी। उसके पीछे भागना क्या मेरे बस में हैं!!
खेत के किनारे एक ताड़ के पेड़ हैं। भागते भागते मैं थक गयी और रुक गयी। पीछे मोडक़र देखती हु काफ़ी दूर आ गयी।
दूर एक पीली और सफेद चार माले की इमारत दिखाई दिया।
हैरान हो गयी देखकर !
वही छोटासा बालक ;छत से मुझे हाथ हिलाकर फिर मिलेंगे बोल रहा हैं।
मन में सोची, इतने समय में वह कैसे छत पर चला गया ! बार बार हाथ हिला रहा हैं। मैं खुश हो गयी कि वह उस बिल्डिंग में रहता हैं।
मैं खुश होकर घूम गयी और सोचने लगी, अगर ज़रा रुकता था,तो मैंने एक फल भी दे देती थी। छोटा सा बच्चा ही तो हैं। मेरे फ्रीज़ में एक मिल्क चॉकलेट भी हैं। यह सोचते निकल जा रही थी; देखती हु, हर बिल्डिंग से मुझे हाथ हिलाकर स्वागत कर रहा हैं।
मैं भी हँसकर उसे हाथ दिखाया।
मैं जोर से चिल्लाई “बेटे चॉकलेट ! चॉकलेट! मेरे पति ने मुझे एक धक्का देकर बोले,” चॉकलेट खाने की उतनीही शॉक हैं तो सुबह उठकर खा लेना।
मैं मुस्कराकर पास लेकर फिर से नींद में चली गयी।

Posted in Social Issues | No Comments »